
আমদাবাদ, ১৯ জুলাই (হি.স.): আমদাবাদের বস্ত্রাল এলাকার রামোল থানা এলাকায় অবৈধভাবে চলা একটি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর কড়া পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। দুর্ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বুলডোজার চালিয়ে অবৈধ কারখানাটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি, আশপাশে লাইসেন্স ছাড়া চলা আরও দুটি বাজি কারখানা সিল করে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার তদন্তে আমদাবাদের পুলিশ কমিশনার অনুপম সিং গেহলট একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন করেছেন। দলে রয়েছেন জোন-৮-এর ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিসিপি) ময়ূর পাটিল, এস ডিভিশনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) ওয়াই. এ. গোহিল এবং রামোল থানার পুলিশ পরিদর্শক (পিআই) ভি. ডি. মোরি।
তবে এসআইটি-তে শুধুমাত্র পুলিশ আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। দমকল, আমদাবাদ পুরনিগম (এএমসি), এস্টেট বিভাগ, জেলা প্রশাসন কিংবা বিদ্যুৎ দফতরের কোনও প্রতিনিধিকে তদন্তকারী দলে অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ কারখানা পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির ভূমিকা খতিয়ে দেখাও জরুরি।
রবিবার প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বস্ত্রাল গ্রামের সীমানায় টিনের শেড তৈরি করে অবৈধভাবে বাজি তৈরির কাজ চলছিল। বিস্ফোরণের পর জেসিবি দিয়ে গোটা কারখানা ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং সমস্ত অস্থায়ী কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, যে রামোল থানা এলাকায় গত ২০-২৫ দিন ধরে এই অবৈধ কারখানা চলছিল, সেই এলাকারই ডিসিপি, এসিপি এবং থানার পুলিশ পরিদর্শককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ায়ও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দমকল, পুরনিগম, জেলা প্রশাসন ও বিদ্যুৎ দফতরকে তদন্তে সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের এসআইটির সদস্য করা হয়নি।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য