নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কার বৈঠক, ‘বিকশিত বাংলা’ নিয়ে আলোচনা
​কলকাতা, ৯ জুলাই (হি.স.): আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান ড. সঞ্জীব গোয়েঙ্কা রাজ্য সচিবালয় নবান্নে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। এই বৈঠকে রাজ্যের শিল্পের বিকাশ, সার্বিক অগ্রগতি এবং অর্
রাজ্য সচিবালয় নবান্নে সাক্ষাৎকারে মুখোমুখি


​কলকাতা, ৯ জুলাই (হি.স.): আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান ড. সঞ্জীব গোয়েঙ্কা রাজ্য সচিবালয় নবান্নে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। এই বৈঠকে রাজ্যের শিল্পের বিকাশ, সার্বিক অগ্রগতি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে দুই ব্যক্তিত্বের মধ্যে দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

​এদিনের বৈঠকে আলোচনার মূল বিষয় ছিল—পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের যাত্রাপথ এবং রাজ্যের শিল্প-পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করা, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলার প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার সম্ভাবনা।

​প্রতিভা, ঐতিহ্য, পরিকাঠামো এবং উদ্যোগী মানসিকতার নিরিখে বাংলা ফের দেশের অন্যতম প্রধান প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হয়ে ওঠার সমস্ত সম্ভাবনা রাখে। তবে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন এবং সরকার ও শিল্পমহলের মধ্যে গঠনমূলক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি। এই উদ্দেশ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং ড. সঞ্জীব গোয়েঙ্কা ‘বিকশিত বাংলা’-র অভিন্ন রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।

উল্লেখ্য, গত দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে গোয়েঙ্কা পরিবার বাংলার মাটির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। পরিবর্তিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও রাজ্য ছেড়ে না গিয়ে তাঁরা বাংলায় নিরবচ্ছিন্নভাবে বিনিয়োগ করেছেন, শিল্প গড়ে তুলেছেন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। বর্তমানে সঞ্জীব গোয়েঙ্কা পূর্ব ভারতের অন্যতম বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে সমাদৃত।

​পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় শ্রী গোয়েঙ্কা বলেন, রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা শোনার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ‘বিকশিত বাংলা’-র জন্য তাঁর ভাবনা অনুপ্রেরণাদায়ক এবং ভবিষ্যতমুখী। একই সঙ্গে তাঁর কর্মোদ্যম, উদ্দীপনা এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়ের প্রতি সূক্ষ্ম নজর সত্যিই প্রশংসনীয়। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের যাত্রাপথ এবং রাজ্যের শিল্প-পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করা, অধিকতর বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলার প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ নিয়ে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এই সম্মিলিত অগ্রযাত্রায় নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অবদান রাখতে আমি গভীরভাবে আগ্রহী।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande