
কলকাতা, ৯ জুলাই (হি.স.): রাজ্যের চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য—এই দুই বিভাগেই বিশেষ গুরুত্ব দিতে দায়বদ্ধ রাজ্য সরকার। রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবির অভিভাষণের পাশাপাশি বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত পেশ করা ২০২৬-২০২৭ অর্থবর্ষের আর্থিক বিবরণীতেও তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এই সূত্র ধরেই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের পূর্ণ মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এদিন জানান যে, মুখ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনের কর্মসূচিটি পূর্বনির্ধারিতই ছিল।
সেই অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভরদুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিধাননগরের (সল্টলেক) স্বাস্থ্য ভবনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও গুরুত্বপূর্ণ অফিসাররা সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য ভবনে পৌঁছানোর পরপরই মুখ্যমন্ত্রী সেখানকার কন্ট্রোল রুমটি ঘুরে দেখেন। এরপর তিনি আধিকারিকদের সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সমগ্র রাজ্য জুড়ে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ যোজনা কার্যকর করা হতে চলেছে। এর আগে রাজ্যের বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও পরিচালনার নানা দিক খতিয়ে দেখা হয়। এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম, স্বাস্থ্য অধিকর্তা (ডিএইচএস) এবং কলকাতার পার্শ্ববর্তী সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজ্যের বর্তমান স্বাস্থ্য পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আপাতত উদ্ভূত সমস্যাগুলি বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত সমাধান করাই এই বৈঠকের অন্যতম ও প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও তাঁর গঠনমূলক বক্তব্যে এই বিষয়ের ওপর বারবার জোর দেন। পরিশেষে, এই পরিদর্শনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত