তৃণমূল কার্যালয়ে সাংসদ সায়নী ঘোষের ঘরে তালা, কালীঘাটের কর্মী-সমর্থকদের তীব্র বিক্ষোভ
কলকাতা, ১০ আগস্ট (হি.স.): তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচনে জিতে সাংসদ হওয়া, দলীয় কার্যালয় ব্যবহার করা এবং বর্তমানে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে জনসংযোগ করার অভিযোগে এবার তীব্র বিতর্কের মুখে পড়লেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। সোমবার দক্ষিণ কলকাত
তৃণমূল কার্যালয়ে সাংসদ সায়নী ঘোষের ঘরে তালা, কালীঘাটের কর্মী-সমর্থকদের তীব্র বিক্ষোভ


কলকাতা, ১০ আগস্ট (হি.স.): তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচনে জিতে সাংসদ হওয়া, দলীয় কার্যালয় ব্যবহার করা এবং বর্তমানে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে জনসংযোগ করার অভিযোগে এবার তীব্র বিতর্কের মুখে পড়লেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। সোমবার দক্ষিণ কলকাতার গরফা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা সেই পার্টি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন, যা এতদিন সায়নী ঘোষ ব্যবহার করে আসছিলেন।

উল্লেখ্য, গরফা ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি মূল পার্টি অফিস রয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পর যাদবপুরের তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ নিয়মিত এই কার্যালয়টি ব্যবহার করতেন। এখানে বসে তিনি দলের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও আলোচনা করতেন এবং নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচির রূপরেখাও তৈরি করা হতো। কার্যালয়ের বাইরে দীর্ঘদিন ধরে সায়নী ঘোষের নামের নেমপ্লেটও লাগানো ছিল।

সোমবার হঠাৎই বেশ কিছু যুবক-যুবতী ওই দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হন। তাঁরা নিজেদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী এবং ‘আসল তৃণমূল’-এর কর্মী বলে দাবি করেন। তাঁদের হাতে সায়নী ঘোষের বিরুদ্ধে লেখা একাধিক পোস্টার ও ব্যানার ছিল। কিছু ব্যানারে লেখা ছিল ‘গো ব্যাক সায়নী’, আবার কিছু ব্যানারে লেখা ছিল ‘বিশ্বাসঘাতকদের কোনও স্থান নেই’।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সায়নী ঘোষ এখন ‘বিদ্রোহী’ হয়ে এনসিপিআই-এর সাংসদ হয়ে উঠেছেন এবং এনডিএ-র বৈঠকগুলিতেও সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন তোলা হয়, কীভাবে তিনি গরফার তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় এখনও ব্যবহার করতে পারেন?

জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটার সময় ওই কার্যালয়ে সায়নী ঘোষের সচিব হিসেবে কাজ করা এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। কালীঘাট তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকেরা তাঁকে ঘর থেকে বের করে দেন এবং এরপর ঘরের মূল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।

বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য, তৃণমূলের পার্টি অফিসে বসে অন্য কোনও দলের হয়ে রাজনৈতিক কার্যকলাপ বা জনসংযোগ চালানো কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সেই কারণেই এই চরম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পুরো ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande