অরুণাচল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এই বাস্তবতা স্বতঃসিদ্ধ ও অনস্বীকার্য: বিদেশ মন্ত্রক
নয়াদিল্লি, ১১ আগস্ট (হি.স.): অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এই সত্য স্বতঃসিদ্ধ ও অনস্বীকার্য—চিনের আপত্তির জবাবে মঙ্গলবার ফের স্পষ্ট জানাল বিদেশ মন্ত্রক। ভারতের সরকারি মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি জায়গার নাম মান্যতা দেওয়ার সাম্প্রতিক স
অরুণাচল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এই বাস্তবতা স্বতঃসিদ্ধ ও অনস্বীকার্য: বিদেশ মন্ত্রক


নয়াদিল্লি, ১১ আগস্ট (হি.স.): অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এই সত্য স্বতঃসিদ্ধ ও অনস্বীকার্য—চিনের আপত্তির জবাবে মঙ্গলবার ফের স্পষ্ট জানাল বিদেশ মন্ত্রক। ভারতের সরকারি মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি জায়গার নাম মান্যতা দেওয়ার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে চিন আপত্তি জানানোয় এই প্রতিক্রিয়া দিল নয়াদিল্লি।

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ। এটি একটি স্বতঃসিদ্ধ সত্য। একই সঙ্গে আমি স্পষ্ট করে দিতে চাই, এই অনস্বীকার্য বাস্তবতা কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না।”

চিন অরুণাচল প্রদেশকে ‘দক্ষিণ তিব্বত’ বা ‘জাংনান’-এর অংশ বলে দাবি করে। ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে অরুণাচলের বিভিন্ন জায়গার নতুন নামের তালিকা প্রকাশ করে আসছে বেজিং। ভারত অবশ্য চিনের এই দাবি এবং স্থানগুলির নাম পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে সীমান্ত সংক্রান্ত আর একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ভারত-চিন সীমান্ত এলাকার বিষয়গুলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চিনের সঙ্গে আলোচনায় নয়াদিল্লি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আসছে। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে বলেও জানান তিনি।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতির সঙ্গে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক অবস্থারও যোগ রয়েছে। গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ক পরামর্শ ও সমন্বয়ের জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা’ বা ডব্লিউএমসিসি-র ৩৬তম বৈঠকেও এই অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।

ওই বৈঠকে দুই দেশ খোলামেলা ও স্পষ্ট আলোচনা করে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি)-র পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। ভারতীয় পক্ষ ফের জানায়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক উন্নতির জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

জয়সওয়াল জানান, এলএসি-তে ভুল বোঝাবুঝি ও ভুল মূল্যায়ন এড়াতে এবং বাকি থাকা সমস্যাগুলির সমাধানে বিদ্যমান কূটনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থাগুলি ব্যবহার করে যাওয়া হবে। এর মধ্যে ডব্লিউএমসিসি, স্থানীয় কমান্ডার স্তরের বৈঠক এবং অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande