
নয়াদিল্লি, ১৫ আগস্ট (হি.স.): লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীকে বড় স্বপ্ন দেখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কথায়, একটি দেশ তখনই মহান হয়ে ওঠে ও নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করে, যখন নিজস্ব স্বপ্ন, সংকল্প ও নিজস্ব অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা চালিত হয়ে এগিয়ে চলে। ছোট স্বপ্ন দিয়ে আর কাজ চলবে না। আমাদের বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, কারণ বড় স্বপ্ন আমাদের চিন্তাভাবনাকে প্রসারিত করে এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিধিকে বিস্তৃত করে। আমাদের সংকল্প হতে হবে অটল; সংকল্প যখন দৃঢ় হয়, তখন প্রতিকূলতা ও বিপর্যয়ের মধ্যেও এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে বের করার সক্ষমতা আপনা-আপনিই গড়ে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গত ১২ বছরে প্রতিরক্ষা উৎপাদন চার গুণ বেড়েছে; খাদি ও গ্রামোদ্যোগের উৎপাদন পাঁচ গুণ বেড়েছে; ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন সাত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মোবাইল ফোন উৎপাদন ৩৩ শতাংশ এবং ডিজিটাল লেনদেন ১০০ শতাংশ বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, আমরাও এক বিশাল স্বপ্নের রূপরেখা তৈরি করেছি—এমন এক স্বপ্ন যা বাস্তবায়নের পথে আমরা অবিচল সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছি এবং নতুন উচ্চতা স্পর্শ করার লক্ষ্য স্থির করেছি। আমাদের লক্ষ্য হলো, স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তির সময়—অর্থাৎ ২০৪৭ সালের মধ্যে—ভারতকে একটি বিকশিত রাষ্ট্রে পরিণত করা। ১৪০ কোটি নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই আমাদের এই লক্ষ্য অর্জন করতে হবে। বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ যখন একটি উন্নত রাষ্ট্র হয়ে ওঠার সংকল্প নেয়, তখন তা বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের সাহসিকতার এক অনন্য নিদর্শন হয়ে ওঠে; আর তখন বিশ্ব আমাদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, গত ১২ বছরে অগণিত নাগরিক—তাঁরা দলিত, নিপীড়িত, প্রান্তিক বা আদিবাসী; গ্রামীণ বা শহুরে; দরিদ্র বা মধ্যবিত্ত; তরুণ বা প্রবীণ; নারী বা পুরুষ; কিংবা উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব বা পশ্চিম—যাঁরাই হোন না কেন, তাঁরা সবাই অটল সংকল্প ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সম্ভাব্য সব রকম প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। আমি তাঁদের এই প্রচেষ্টাকে সশ্রদ্ধ স্বীকৃতি জানাই।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ