
ঝাড়গ্রাম, ২৮ আগস্ট (হি.স.): রাখীবন্ধনের সুতোয় বাঁধা পড়ল সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা। উৎসবের দিনে রাজনৈতিক পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গেলেন বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু। রাস্তায় পথচলতি মানুষ থেকে দলীয় কর্মী-সমর্থক—সকলের হাতেই রাখি পরিয়ে দেন তিনি। চলে মিষ্টিমুখ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ও।
রাখীবন্ধন উৎসবকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছিল উৎসবের আমেজ। সেই আবহেই এদিন হাড়দা ও জামবনী এলাকায় পৌঁছন বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু। সেখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের হাতে রাখি পরিয়ে দেন তিনি। পথচলতি মানুষ ও দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি চলে মিষ্টিমুখ।
রাখি পরানোর মধ্যেই কর্মসূচি সীমাবদ্ধ রাখেননি বিধায়ক। রাখীবন্ধনের শুভ দিনে জামবনী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির খুঁটিপুজোতেও অংশ নেন তিনি। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন প্রণত টুডু।
অন্যদিকে, ঝাড়গ্রাম জেলাশাসকের কার্যালয়েও এদিন বিশেষ রাখীবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খুদে পড়ুয়াদের উপস্থিতিতে সেখানে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর। তিনি খুদে পড়ুয়াদের হাতে রাখি পরিয়ে দেন এবং মিষ্টিমুখ করান। পরে পড়ুয়ারাও ভালোবাসা ও স্নেহের প্রতীক হিসেবে জেলাশাসকের হাতে রাখি বেঁধে দেয়।
জেলাশাসকের সঙ্গে শিশুদের এই আন্তরিক মুহূর্তে অনুষ্ঠানের পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। হাসি-আনন্দে মেতে ওঠেন উপস্থিত সকলে।
একদিকে রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাখীবন্ধনের আনন্দ ভাগ করে নিলেন বিধায়ক, অন্যদিকে খুদে পড়ুয়াদের সঙ্গে উৎসবে সামিল হয়ে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন জেলাশাসক।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো