
পুরুলিয়া, ১৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): নার্সিং ছাত্রীকে নির্মমভাবে খুন করে বস্তাবন্দি দেহ মোটরবাইকে পাচারের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। শনিবার গভীর রাতে পুরুলিয়ার বলরামপুর থানার পুলিশের তৎপরতায় হাতেনাতে ধরা হয় অভিযুক্তকে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত তরুণীর নাম প্রীতিকা মাহাতো। তিনি বাঘমুণ্ডির বুড়দা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। অভিযুক্ত অমিত মাহাতোর বাড়ি বাঘমুণ্ডির হুড়ুমদা গ্রামে।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রীতিকা পুরুলিয়া শহরের একটি ছাত্রীনিবাসে থেকে নার্সিংয়ের প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অমিতের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার গভীর রাতে পুরুলিয়ার দিক থেকে বলরামপুর হয়ে বাঘমুণ্ডির দিকে একটি মোটরবাইক দ্রুতগতিতে আসছিল। বাইকের পেছনে একটি বড় বস্তা বাঁধা ছিল।
টহলদারির সময় সন্দেহ হওয়ায় বলরামপুর থানার পুলিশ বাইকটিকে আটকানোর চেষ্টা করে। সে সময় অভিযুক্ত অমিত চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষমেশ পুলিশ তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন। এরপর বাইকের পেছনে বাঁধা বস্তাটি খুলতেই চমকে ওঠেন তদন্তকারীরা। বস্তার ভেতর থেকে উদ্ধার হয় প্রীতিকার রক্তাক্ত দেহ। তড়িঘড়ি দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ