'সেবা সংকল্প’- এ মাসভর জনসেবা, ডিমা হাসাওয়ে প্রস্তুতি জোরকদমে
১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর—শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও নারী ক্ষমতায়নে বিশেষ কর্মসূচি; পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগ
meeting


হাফলং (অসম), ১৫ সেপ্টেম্বর (হি স): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২৫ বছরের জনসেবার যাত্রা উপলক্ষে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচিকে সফল করে তুলতে ডিমা হাসাওয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোরকদমে। মঙ্গলবার ডিমা হাসাও স্বশাসিত পরিষদের আধিকারিক সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে এক প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের যুগ্মসচিব রেবেকা চাংসান।

মাসব্যাপী এই অভিযানের বিভিন্ন কর্মসূচি, দায়িত্ব বণ্টন এবং বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শহরাঞ্চল পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কাছে জনসেবার বার্তা পৌঁছে দিতে সমস্ত দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে রেবেকা চাংসান বলেন, ‘সেবা সংকল্প’-এর ভাবনাকে শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা তৃণমূল স্তরে কার্যকর জনসেবায় পরিণত করতে হবে। মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সকল দফতরকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। জনসম্পৃক্ততা, সকলের জন্য উন্নয়নের সুযোগ এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ক্ষমতায়নের উপরও গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

জানা গিয়েছে, মাসব্যাপী অভিযানে জেলার বিভিন্ন গ্রাম ও শহরে সচেতনতা প্রচার এবং জনসংযোগমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও নারী ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস পালন এবং বিভিন্ন জনমুখী ও সমাজকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদেরও এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ দিকে, একই বিষয়ে মঙ্গলবার ডিমা হাসাওয়ের জেলাশাসক গায়ত্রী দেবীদাস হাইলিঙ্গে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে জেলাশাসকের সম্মেলন কক্ষে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার পর্যায়ের পদস্থ আধিকারিক রিপুঞ্জয় কাকতি-সহ বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এক মাসব্যাপী কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে কোন দফতরের কী দায়িত্ব থাকবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিটি দফতরকে নিজ নিজ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের পারস্পরিক সমন্বয় এবং সম্মিলিত উদ্যোগেই ডিমা হাসাওয়ে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande