পুজোর মুখে বেতন বকেয়া, চুঁচুড়া পুরসভায় অস্থায়ী কর্মীদের অবস্থান
হুগলি , ১৫ সেপ্টেম্বর (হি.স.): পুজোর মুখে বেতন বকেয়া থাকায় কর্মবিরতিতে অস্থায়ী কর্মীরা। মঙ্গলবার হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার গেটে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেন পুরসভার বিভিন্ন বিভাগের অস্থায়ী কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী ও ফি কালেক্টররা গত ত
পুজোর মুখে বেতন বকেয়া, চুঁচুড়া পুরসভায় অস্থায়ী কর্মীদের অবস্থান


হুগলি , ১৫ সেপ্টেম্বর (হি.স.): পুজোর মুখে বেতন বকেয়া থাকায় কর্মবিরতিতে অস্থায়ী কর্মীরা। মঙ্গলবার হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার গেটে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেন পুরসভার বিভিন্ন বিভাগের অস্থায়ী কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী ও ফি কালেক্টররা গত তিন মাস ধরে বেতন পাননি। অন্যদিকে সাফাই কর্মী, নিরাপত্তারক্ষী, পিয়ন, অ্যাম্বুল্যান্স ও গাড়িচালক-সহ পুরসভার বিভিন্ন বিভাগের কর্মীদেরও দু’মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে।

পুজোর আগে বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়া এবং বেতন নিয়মিত করার দাবিতেই এদিন কর্মবিরতির ডাক দেন তাঁরা। অস্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভায় তাঁদের বেতন অনিয়মিত। এর আগেও বেতন সংক্রান্ত দাবিতে একাধিকবার আন্দোলনে নামতে হয়েছে তাঁদের। তাঁদের দাবি, পুরসভায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সংখ্যক অস্থায়ী কর্মী নিয়োগের ফলে আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। অথচ স্থায়ী কর্মীর ঘাটতি থাকায় পুরসভার দৈনন্দিন কাজের বড় অংশই সামলাতে হচ্ছে অস্থায়ী কর্মীদের।

বর্তমানে পুরসভায় নির্বাচিত বোর্ড না থাকায় প্রশাসকের মাধ্যমে পুরসভার কাজ পরিচালিত হচ্ছে। অস্থায়ী কর্মীদের দাবি, বারবার পুর প্রশাসন এবং বিধায়কের কাছে বকেয়া বেতন মেটানোর আবেদন জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। সামনে পুজো, অথচ হাতে বেতন না থাকায় সংসার চালানো নিয়ে চরম সমস্যায় পড়েছেন কর্মীরা। সেই কারণেই বাধ্য হয়ে তাঁরা অবস্থান-বিক্ষোভে বসেছেন বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

অস্থায়ী কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষে রাধেশ্যাম শঙ্খ বণিক বলেন, এর আগেও আন্দোলনের মাধ্যমে বেতন আদায় করতে হয়েছে। ফুল পরিবর্তন হলেও পুরসভার বেতন সংক্রান্ত সমস্যা এখনও একইভাবে রয়ে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পুর প্রশাসক ও বিধায়ককে বিষয়টি জানানো হলেও কোনও সদুত্তর না মেলায় ফের আন্দোলনে বসতে হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিন পরে পুরসভায় উপস্থিত হন চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগ। তিনি অস্থায়ী কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। বেতন সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয় বলেও জানা গেছে। তবে বকেয়া বেতন কবে মেটানো হবে, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande