
কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর ( হি. স.): ভারত সরকারের পি এম বিশ্বকর্মা প্রকল্প পূর্ণ করছে তিন বছরের পথচলা। সেই উপলক্ষে তৃতীয় বর্ষ পূর্তির প্রাক্কালে বুধবার কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে আয়োজন করল এক সাংবাদিক সম্মেলনের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারত সরকারের অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পদ্যোগ (এমএসএমই) মন্ত্রকের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল নীতীশ কুমার, ডিরেক্টর অঙ্কিত কুমার আগরওয়াল, মন্ত্রকের আরেক কর্মকর্তা ডঃ রজনীশ–সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
সাংবাদিক সম্মেলনের শুরুতেই ঘোষণা করা হয়, বৃহস্পতিবার পালিত হতে চলেছে এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি। এর পাশাপাশি এই মন্ত্রকের সঙ্গে জড়িত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রদান করা হবে বিশেষ সম্মান। সাংবাদিক সম্মেলনে অবহিত করা হয় এই প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে।
এ দিন জানানো হয়, সমীক্ষায় দেখা গেছে, সারা ভারত জুড়ে প্রায় ৩২ কোটি মানুষ যুক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সঙ্গে। ২০২৩ এর ১ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকারের উদ্যোগে শুরু হয়েছিল এই প্রকল্প। এরপর থেকে এই প্রকল্পের উন্নয়ন চোখে পড়ার মতো। এর মূল উদ্দেশ্য, দেশীয় হস্তশিল্প এবং ক্ষুদ্রশিল্পের উন্নতিসাধন। তার মধ্যে রয়েছে, শিল্পীদের সার্বিক উন্নতি, উন্নত যন্ত্রাংশ সরবরাহ, প্রশিক্ষণ, প্রতিদিনের কাজের ভিত্তিতে প্রশিক্ষিত শিল্পীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, তাঁদের কাজকে বাজারে তুলে ধরা, নিম্ন সুদের হারে লোনের ব্যবস্থা প্রভৃতি বিষয়গুলি । এই প্রকল্পের আয়তায় রয়েছে মাদুর শিল্প, তাঁত শিল্পের মতো ১৮ ধরনের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। ২০২৮ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ৩০ লক্ষ মানুষকে এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করাই মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয় সাংবাদিক সম্মেলনে। এদিন জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৩৬ হাজার মানুষকে এই প্রকল্পের প্রথম অর্ধে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী সময়ে যে এই সংখ্যা বাড়বে, এ দিন সাংবাদিক সম্মেলনে সেই বিষয়েও জানান মন্ত্রকের কর্মকর্তারা।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৃজিতা বসাক