
নয়াদিল্লি, ১৭ সেপ্টেম্বর (হি.স): আগামী দিনে দেশের সমস্ত মেডিক্যাল স্টোরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক হতে পারে। ড্রাগ রুলস, ১৯৪৫-এ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। শিডিউল এইচ, এইচ১ এবং এক্স শ্রেণিভুক্ত ওষুধের বিক্রি ও সরবরাহের উপর নিয়ন্ত্রক নজরদারি আরও জোরদার করাই এই প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য।
মন্ত্রক গত ৮ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মেডিক্যাল স্টোরে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে ওই শ্রেণির ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বৈধ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রির আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে সিসিটিভি নজরদারিকে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা হিসেবে যুক্ত করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছে, সংশোধনের প্রস্তাবটি প্রথমে ড্রাগস কনসালটেটিভ কমিটিতে আলোচনা করা হয়। পরে বিষয়টি ড্রাগ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্যদের বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়। আলোচনা ও পর্যালোচনার পর বোর্ড প্রস্তাবটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে।
মন্ত্রকের এক আধিকারিক বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, সংশোধনী কার্যকর হলে শিডিউল এইচ, এইচ১ ও এক্স শ্রেণির ওষুধের বিক্রি এবং সরবরাহের উপর নজরদারি আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে বৈধ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি এবং অননুমোদিতভাবে ওই ওষুধ পাওয়ার প্রবণতা রুখতেও এটি সহায়ক হতে পারে।
সিসিটিভি ব্যবস্থার মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আপত্তি ও পরামর্শ চেয়েছে মন্ত্রক। প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে কারও কোনও মতভেদ বা পরামর্শ থাকলে তা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারির কাছে পাঠানো যাবে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সুনন্দা দাস