
মালদা, ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): মালদায় বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। নতুন করে গঙ্গার জল বাড়েনি। পাশাপাশি ফুলহার ও কোশি নদীর জলস্তরও কিছুটা কমেছে। তবে গঙ্গা, ফুলহার ও কোশি নদীর জলস্তর বৃদ্ধির জেরে মানিকচকের ভুতনির উত্তর চণ্ডীপুর, দক্ষিণ চণ্ডীপুর ও হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা এখনও জলমগ্ন।
জলবন্দি এলাকার কয়েক হাজার মানুষ নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভুতনি এলাকায় ১৯টি ত্রাণশিবির বা ফ্লাড সেন্টার খোলা হয়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও এনডিআরএফের পক্ষ থেকে লাগাতার উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, দুর্গত এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যদিও ত্রাণ বণ্টন নিয়ে কিছু মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
গত দু’বছরের বন্যায় ভুতনিতে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছিল। একাধিকবার ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভও হয়েছিল। তবে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত সেই পরিস্থিতি দেখা যায়নি। বন্যায় এখনও পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।
জল কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। গত কয়েক দিনে জেলাশাসক, বিধায়ক ও সাংসদরা দফায় দফায় দুর্গত এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়