ইরানের সঙ্গে ভালো চুক্তি, নইলে কোনও সমঝোতা নয়; তেহরানকে বার্তা ট্রাম্পের
ওয়াশিংটন, ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): ইরান সমঝোতা করতে চায়, তবে তাঁর ব্যক্তিগত মত অনুযায়ী তেহরান এখনও তার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করে এমন ভালো চুক্তি করা হবে, তা
ইরানের সঙ্গে ভালো চুক্তি, নইলে কোনও সমঝোতা নয়; তেহরানকে বার্তা ট্রাম্পের


ওয়াশিংটন, ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): ইরান সমঝোতা করতে চায়, তবে তাঁর ব্যক্তিগত মত অনুযায়ী তেহরান এখনও তার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করে এমন ভালো চুক্তি করা হবে, তা না হলে কোনও সমঝোতাই হবে না।

মিডিয়া সংস্থা ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের উল্লেখ করে জানিয়েছে, ইরান আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করতে চাইলেও এখনও তার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, যে কোনও সমঝোতা আমেরিকার প্রত্যাশা অনুযায়ীই হতে হবে।

আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি-র সদস্য দেশগুলির নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য সামনে এলো।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের উপর মার্কিন হামলায় দেশটির পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংস হয়েছে। তিনি বলেন, তা না হলে এতদিনে তেহরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকত। ইরান অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে দাবি করে ট্রাম্প বলেন, দেশটির অর্থনীতি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে। ৩০০ শতাংশের বেশি মূল্যবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সামরিক বাহিনী ও পুলিশকর্মীরাও বেতন পাচ্ছেন না।

হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার হাতে রয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তাঁর কথায়, “আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরাই জিতব। জানি না, সেটা কোনও চুক্তির মাধ্যমে হবে কি না। তবে আমরা ইতিমধ্যেই জিতছি।”

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবির বিপরীতে পেন্টাগনের এক প্রাক্তন আধিকারিক দাবি করেছেন, চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হতে পারে। ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ পেন্টাগনের প্রাক্তন আধিকারিক ব্রেন্ট স্যাডলারের বক্তব্য উল্লেখ করে জানিয়েছে, তেহরানের উপর মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ এবং অর্থনৈতিক চাপের প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই নভেম্বরের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর দাবি।

স্যাডলার বলেন, “আর্থিক ও মুদ্রানীতির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে পরিসংখ্যান নিশ্চিতভাবেই এই ফলাফলের দিকেই ইঙ্গিত করছে।” তাঁর মতে, বছরের শেষ হওয়ার আগেই অথবা নভেম্বরের নির্বাচন চলাকালীন এই সংঘর্ষের অবসান হতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ এবং অর্থনৈতিক যুদ্ধের অন্যান্য পদ্ধতিই তাঁর এই অনুমানের প্রধান কারণ বলে জানান স্যাডলার।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande