
লখনউ, ১৯ সেপ্টেম্বর (হি. স.): উত্তর প্রদেশে আবহাওয়া আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শনিবার বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে। রাজধানী লখনউ এবং তার আশেপাশের এলাকাগুলোর আবহাওয়ারও পরিবর্তন হয়েছে। আকাশ সাধারণত মেঘলা থাকবে, তবে কিছু সময় আংশিক মেঘলাও দেখা যেতে পারে। লখনউতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহ বিদ জানিয়েছে, আগামী তিন ঘণ্টায় লখনউ, হারদোই এবং সীতাপুরের কিছু কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে প্রবল বাতাস বইবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানোরও সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে শনিবার লখনউতে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির কারণে অনেক নিচু এলাকার রাস্তার পাশে ও রাস্তায় জল জমে যাওয়ায় যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। প্রবল বর্ষণের সময় প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের গতি কমে যায়। জলমগ্ন এলাকাগুলোতে দু-চাকার যানবাহনের চালকরা বিশেষ অসুবিধার সম্মুখীন হন।
গ্রামীণ এলাকায় বৃষ্টিতে জমিতে সেচ হয়েছে, যা ধান এবং অন্যান্য খরিফ ফসলের জন্য উপকারী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, একটানা ভারী বৃষ্টিপাতের এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত জল জমে থাকার কারণে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নিচু এলাকায় জল জমে থাকা এবং কাঁচা রাস্তায় কাদা থাকার কারণে গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।
বৃষ্টির সঙ্গে প্রবল বাতাসের সম্ভাবনা গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। আবহাওয়া দফতর বজ্রঝড়ের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে চলতে এবং গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি ও দুর্বল কাঠামো থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে জনগণকে পরামর্শ দিয়েছে।
বৃষ্টির কারণে রাজ্যে তাপমাত্রাও কমেছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তন গরম ও আর্দ্রতা থেকে স্বস্তি দিলেও, একটানা বৃষ্টিপাতের এলাকাগুলোতে জল নিষ্কাশন ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে, কানপুর ও উন্নাওয়ের আকাশেও মেঘ ঘনিয়ে আসছে। আবহাওয়া দফতর এখানেও বৃষ্টি, বজ্রপাত ও প্রবল বাতাসের পূর্বাভাস দিয়েছে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / ফারজানা পারভিন