রাজস্থানের ২২টি জেলায় হলুদ বৃষ্টি সতর্কতা জারি
জয়পুর, ১৯ সেপ্টেম্বর (হি. স.): রাজস্থানে বর্ষাকাল কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। জয়পুরের আবহাওয়া কেন্দ্র শনিবার ২২টি জেলার জন্য হলুদ বৃষ্টি সতর্কতা জারি করেছে। পূর্ব রাজস্থানের ভরতপুর, জয়পুর, কোটা এবং উদয়পুর বিভাগের বিচ্ছিন্ন কিছু এলাকায় হা
রাজস্থানের ২২টি জেলায় হলুদ বৃষ্টি সতর্কতা জারি


জয়পুর, ১৯ সেপ্টেম্বর (হি. স.): রাজস্থানে বর্ষাকাল কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। জয়পুরের আবহাওয়া কেন্দ্র শনিবার ২২টি জেলার জন্য হলুদ বৃষ্টি সতর্কতা জারি করেছে। পূর্ব রাজস্থানের ভরতপুর, জয়পুর, কোটা এবং উদয়পুর বিভাগের বিচ্ছিন্ন কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম রাজস্থানের কিছু এলাকায় প্রবল বাতাসের সাথে বৃষ্টিও হতে পারে।

আবহাওয়া দফতরের মতে, গত দুই দিন ধরে হওয়া বৃষ্টি রাজ্যের আবহাওয়ার পরিবর্তন এনেছে। শুক্রবার ডুঙ্গারপুর, বানসওয়ারা এবং প্রতাপগড়ের বেশ কয়েকটি স্থানে ৮ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয় এবং ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা পর্যন্ত অনেক এলাকায় তা অব্যাহত ছিল। পশ্চিম রাজস্থানেও বৃষ্টি হয়েছে। একটি পশ্চিমা ঝঞ্ঝার প্রভাবে বিকানেরের কোলায়েত অঞ্চলে প্রায় ৭০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ভারী বর্ষণের কারণে রাজ্য জুড়ে অনেক বাঁধ ও জলাধারে জলের প্রবাহ বেড়েছে। মাহি বাজাজ সাগর বাঁধের জলস্তর ২৭৪.৮৫ আরএল মিটার থেকে বেড়ে ২৭৪.৯৫ আরএল মিটার হয়েছে। বিসালপুর বাঁধের গেজও ৩১৪.০৩ মিটার থেকে বেড়ে ৩১৪.০৫ আরএল মিটার হয়েছে। একইভাবে, ডুঙ্গারপুরের সোমকামলা আম্বা বাঁধের জলস্তর ১০.৭৫ মিটার থেকে বেড়ে ১০.৮০ আরএল মিটার, উদয়পুরের নিকটবর্তী জয়সামন্দ বাঁধের জলস্তর ৪.৬৬ মিটার থেকে বেড়ে ৪.৭২ আরএল মিটার এবং প্রতাপগড়ের জখাম বাঁধের জলস্তর ২৭ মিটার থেকে বেড়ে ২৭.২০ আরএল মিটার হয়েছে। একটানা বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে রাজ্য জুড়ে তাপমাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। অনেক শহরে দিনের তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি পর্যন্ত কমেছে। রাতেও আবহাওয়া শীতল হয়েছে। সিকার, আজমের এবং সিরোহিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রেকর্ড করা হয়েছে, অন্যদিকে কোটায় তাপমাত্রা প্রায় ৬ ডিগ্রি কমেছে।

পশ্চিম রাজস্থানের বিকানের, ফালোদি, জয়সলমার এবং বারমেরের বেশ কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত গরম ও আর্দ্রতা থেকে স্বস্তি এনেছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / ফারজানা পারভিন




 

 rajesh pande