
কলকাতা, ২৪ সেপ্টেম্বর (হি স): ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তি অসুস্থ হলেও বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ পুলিশকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিল তার গ্রেফতারির। সেই নির্দেশের জেরে তিন বছর পর গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত আইনজীবীকে৷
ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত হুগলির চুঁচুড়ার বাসিন্দা আইনজীবীকে বৃহস্পতিবার ভর্ৎসনা করে আদালত৷ প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে আদালতে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পরেও গ্রেফতার হয় না! আমায় মুখ খোলাবেন না। আমি তাহলে আরও কড়া পর্যবেক্ষণ নিতে বাধ্য হব৷ অভিযুক্ত হিসেবে আপনার এই মামলায় হাইকোর্টে বলার কোনও এক্তিয়ার নেই৷ আপনার বিরুদ্ধে যদি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়ে থাকে, নিম্ন আদালতে গিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করুন৷
নির্যাতিতার তরফে আইনজীবী ধনঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইনজীবী অরূপ কুমার ভৌমিক আদালতে অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত হুমকি দিত, তার মামা বিধায়ক৷ হুগলির চুঁচুড়ার বাসিন্দা পার্থসারথি ঘোষের বিরুদ্ধে এক তরুণীর অন্তরঙ্গ ছবি ফাঁসের ভয় দেখিয়ে তাঁকে লাগাতার ধর্ষণ এবং লক্ষাধিক টাকা ও দামি গ্যাজেট ব্ল্যাকমেল করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
নিম্ন আদালত ও হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পরও বিধাননগরে মামার বাড়িতে নিজেকে গুরুতর অসুস্থ ও মানসিক রোগী দাবি করে অক্সিজেন মাস্ক পরে গ্রেফতারি এড়িয়ে যাচ্ছিল অভিযুক্ত৷
রাজ্যের তরফে আইনজীবী এদিন আদালতে জানিয়েছেন, বুধবার রাতেই পার্থসারথি ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ বর্তমানে তাকে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ সে এখন চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত