
ইটানগর, ২৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.): শিক্ষা সংক্রান্ত একাধিক দাবিদাওয়া নিয়ে অল নিশি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ডাকে ইটানগর রাজধানী অঞ্চলে পালিত হচ্ছে ১২ ঘণ্টার সর্বাত্মক বনধ। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই বনধ চলবে। ইতিমধ্যেই স্তব্ধ হয়ে পড়েছে সাধারণ জনজীবন। বনধকে বেআইনি ঘোষণা করে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছিল স্থানীয় প্রশাসন।
আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে চিহ্নিত ৫৬টি স্কুলের সংস্কার ও মানোন্নয়ন, পাক্কে কেসাং-এ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য পৃথক বিদ্যালয় স্থাপন এবং তরু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও লেট নীলম তারাম সরকারি কলেজের প্রশাসনিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পাসাং দর্জি সোনার সঙ্গে সংগঠনটির আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরেই এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।
বনধ চলাকালীন চিম্পু এবং সচিবালয় সংলগ্ন এলাকায় কিছু জায়গায় পথ অবরোধ এবং একটি গাড়িতে আগুন লাগার মতো বিক্ষিপ্ত ঘটনার খবর মেলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুল পরিমাণ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী।
ইটানগরের পুলিশ সুপার জুম্মার বাসার জানিয়েছেন, বনধের প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন তৎপর রয়েছে। তিনি বলেন, “পরীক্ষার্থী এবং চিকিৎসার মতো জরুরি পরিষেবার গাড়ি চলাচলে যাতে বাধা না আসে, সে বিষয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং তাঁরা সহযোগিতা করছেন।” আটকে পড়া মানুষদের সহায়তা দিতে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে জানিয়ে তিনি আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের এবং সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ক্ষতি না করার আবেদন জানান।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ