বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে শুনানি বন্ধ করানো সাংবিধানিক সংকটকে আরও গভীর করেছে, দাবি শমীকের
কলকাতা, ১১ জানুয়ারি (হি স): ইডি-র তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ, বিরোধী দলনেতার ওপর ধারাবাহিক আক্রমণ এবং পশ্চিমবঙ্গে সাংবিধানিক সংকট প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপি-র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। “আদালতের নির্দেশে চলা তদন্ত প্রক্রিয়াকে
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে শুনানি বন্ধ করানো সাংবিধানিক সংকটকে আরও গভীর করেছে, দাবি শমীকের


কলকাতা, ১১ জানুয়ারি (হি স): ইডি-র তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ, বিরোধী দলনেতার ওপর ধারাবাহিক আক্রমণ এবং পশ্চিমবঙ্গে সাংবিধানিক সংকট প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপি-র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

“আদালতের নির্দেশে চলা তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধা দেওয়া, আইনমন্ত্রী ও তৃণমূলপন্থী আইনজীবীদের দ্বারা হাইকোর্টে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে শুনানি বন্ধ করানো পশ্চিমবঙ্গে সাংবিধানিক সংকটকে আরও গভীর করেছে।” রবিবার সল্টলেকে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও মুখ্যসচিবের উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর এই কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে যে প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ৮ জানুয়ারি ইডির অভিযান চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বেসরকারি সংস্থার কর্ণধারকে রক্ষা করতে সম্পূর্ণ প্রশাসন নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তা পূর্বপরিকল্পিত। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যবহৃত গাড়ির নম্বর প্লেট পরিবর্তন, সবুজ ফাইল ছিনিয়ে নেওয়া এবং নথিপত্র গোপন করার ঘটনায় জনমনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে যে কয়লা কেলেঙ্কারি, হাওয়ালা এবং রাজনৈতিক অর্থের যোগসূত্র কোথায় গিয়ে পৌঁছায়।

তিনি বলেন, গত ১৪ বছরে ৩০০-র বেশি বিজেপি কর্মী খুন, অসংখ্য রাজনৈতিক হামলা, গণতন্ত্রকে স্তব্ধ করে দেওয়া, সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের রাজনীতি এবং অনুপ্রবেশকে প্রশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে একটি বিপজ্জনক অবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। শিল্পপতি, শ্রমিক, ছাত্র এবং বিনিয়োগ রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছে, হাজার হাজার কোম্পানি তাদের সদর দফতর সরিয়ে নিয়েছে। রাজ্যের বহু লোক অন্যত্র চলে যাচ্ছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande