
কোকরাঝাড় (অসম), ১১ জানুয়ারি (হি.স.) : কোকরাঝাড়ে ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে এনকাউন্টার করেছে পুলিশ। রফিকুলের হামলায় জখম হয়েছেন দুই পুলিশকর্মীও। আহত রফিকুলকে প্রথমে কোকরাঝাড়ের আরএনবি সিভিল হাসপাতাল এবং পরে কোকরাঝাড় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এনে ভরতি করা হয়েছে।
এনকাউন্টারের ঘটনা আজ রবিবার সন্ধ্যারাতে সংঘটিত হয়েছে। গতকাল শনিবার কোকরাঝাড় শহরে জনৈক মানসিক প্রতিবন্ধী মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে জেলায়। ধর্ষণ মামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে বিশ্বহিন্দু পরিষদ সহ অন্য হিন্দু সংগঠন গৰ্জে উঠেছে। বুধবার কোকরাঝাড় শহরে ১২ ঘণ্টার বন্ধ ডেকেছে বিশ্বহিন্দু পরিষদ।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার রাতে এবং আজ রবিবার একাধিক হিংসাত্মক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা-র ১৬৩ ধারায় বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কোকরাঝাড় শহরের সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশের জনৈক আধিকারিক জানিয়েছেন, পলাতক অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে রানিঘুলি এলাকায় পাকড়াও করে আজ রবিবার সন্ধ্যায় পুলিশ কোকরাঝাড়ে নিয়ে আসার সময় এনকাউন্টারের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। কোকরাঝাড়ে আসার পথে অভিযুক্ত রফিকুল শৌচক্রিয়ার জন্য তাকে ছাড়তে পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এ সময় সুযোগ বুঝে পুলিশকর্মীদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সে।
ধস্তাধস্তির মধ্যে রফিকুল পুলিশ দলের ওপর হামলা করে পালানোর চেষ্টা করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এতে রফিকুল ইসলামের বাঁ পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাকে কোকরাঝাড়ে আরএনবি সিভিল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তাররা তাকে কোকরাঝাড় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করেন।
ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষে দুই পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন। তাঁদের হাতে ও পায়ে আঘাত লেগেছে। আহত দুই পুলিশকর্মীর চিকিৎসা চলছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস