
কলকাতা, ১২ জানুয়ারি (হি. স.) : শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের গুরুতর অভিযোগ তুলে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার দুপুরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও প্রকাশ করে তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যজুড়ে বিভাজনের রাজনীতি করছে এবং মানুষের মনে বিষিয়ে দিচ্ছে।
শুভেন্দু অধিকারী মালদা জেলার মোথাবাড়িতে আয়োজিত একটি জনসভার ভিডিও প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের উপস্থিতিতেই ওই সভায় তৃণমূল নেতারা খোলাখুলি সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেছেন।
তৃণমূল নেতারা জনসংখ্যাকে ‘৬৫ শতাংশ ও ৩৫ শতাংশ’ পরিসংখ্যানে ভাগ করে মুসলিম সম্প্রদায়কে ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে একজোট হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। হিন্দুরা শুধুমাত্র বিজেপিকেই ভোট দেবে— এমন ভয় দেখিয়ে মুসলিমদের অস্তিত্ব রক্ষার দোহাই দিয়ে তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য উস্কানি দেওয়া হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সম্প্রীতি’ বার্তাকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, তৃণমূলের নেতাদের মুখে এই শব্দ আদতে একটি মুখোশ। তাঁর কথায়, দেশের বহু রাজ্যে বিজেপির সরকার রয়েছে, কিন্তু কোথাও মুসলিমদের জীবন সংকটে নেই। অথচ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের নেতারা হিন্দুদের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার চেষ্টা করছেন।
তৃণমূলকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত কোম্পানি রাজ’ বলে অভিহিত করে বিরোধী দলনেতা সকল ‘সনাতনী’ ও জাতীয়তাবাদীদের প্রতি একজোট হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। এই বিভাজনমূলক শাসনকে উপড়ে ফেলে একটি সমৃদ্ধ ‘নতুন বাংলা’ গড়ে তোলার ডাক দেন তিনি।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি