‘উন্নয়নের পাঁচালি’ সভায় না গেলে বালিঘাটে গাড়ি বন্ধের হুমকির অভিযোগ
দুর্গাপুর, ৪ জানুয়ারি (হি.স.): ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ সভায় সমস্ত ট্রাক্টর মালিককে উপস্থিত থাকতে হবে। কেউ উপস্থিত না থাকলে তাঁর গাড়ি বালিঘাটে বন্ধ রাখা হবে—এমনই একটি হুমকিমূলক অডিও বার্তা ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পান্ডবেশ্বর বিধ
‘উন্নয়নের পাঁচালি’ সভায় না গেলে বালিঘাটে গাড়ি বন্ধের হুমকির অভিযোগ


দুর্গাপুর, ৪ জানুয়ারি (হি.স.): ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ সভায় সমস্ত ট্রাক্টর মালিককে উপস্থিত থাকতে হবে। কেউ উপস্থিত না থাকলে তাঁর গাড়ি বালিঘাটে বন্ধ রাখা হবে—এমনই একটি হুমকিমূলক অডিও বার্তা ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পান্ডবেশ্বর বিধানসভার লাউদোহা ব্লকে। অডিওটিকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে, সরব হয়েছে বিজেপি।

ভাইরাল হওয়া ওই অডিও বার্তায় শোনা যাচ্ছে, বনগ্রাম ধর্মরাজ মন্দিরের সামনে আয়োজিত ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ সভায় বিকেল ৩টের সময় সকল ট্রাক্টর মালিককে উপস্থিত থাকতে হবে। উপস্থিত না থাকলে সংশ্লিষ্ট ট্রাক্টরের গাড়ি বালিঘাটে বন্ধ রাখা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অডিও বার্তার সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্থান সমাচার।

উল্লেখ্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য জুড়ে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ কর্মসূচি চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলা ও ব্লক স্তরে ট্যাবলো ও সভার মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নের প্রচার চলছে। লাউদোহা ব্লকের বনগ্রাম এলাকাতেও সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই সভার আয়োজন করা হয় বলে জানা গেছে। ওই অডিও বার্তাটি ইতিমধ্যেই খনি অঞ্চলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

এই অডিওকে হাতিয়ার করে রবিবার নবগ্রামে জনসংযোগ কর্মসূচিতে নামেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। ভাইরাল অডিও প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, “এই অডিও থেকেই পরিষ্কার, তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ নেই।গণতান্ত্রিকভাবে লোক জড়ো করতে না পেরেই তারা হুমকি ও স্বৈরাচারী পথ বেছে নিয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” তিনি এও অভিযোগ করেন, “তৃণমূল সাধারণ মানুষের এসআইআর ফর্ম ভুলভাবে পূরণ করিয়ে বিভ্রান্তিতে ফেলেছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর সেই ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। আমরা সংশোধনে সহায়তার জন্য ক্যাম্প করলে তৃণমূল সেগুলি পুড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে পান্ডবেশ্বরের মানুষ চরম দুর্ভোগ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।”

অন্যদিকে, এই অডিও বার্তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের গোগলা অঞ্চল সভাপতি গৌতম ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande