‘চারে চার’ লক্ষ্য নিয়ে ঝাড়গ্রামে সংগঠন চাঙ্গা করতে মাঠে যুব তৃণমূল
ঝাড়গ্রাম, ১৮ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝাড়গ্রাম জেলায় সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করতে সক্রিয় হয়েছে যুব তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার চারটি বিধানসভা আসনেই জয় ধরে রাখার লক্ষ্যে ‘চারে চার’ স্লোগানকে সামনে রেখে ব্লক ও বুথ স্তরে প্র
‘চারে চার’ লক্ষ্য নিয়ে ঝাড়গ্রামে সংগঠন চাঙ্গা করতে মাঠে যুব তৃণমূল


ঝাড়গ্রাম, ১৮ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝাড়গ্রাম জেলায় সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করতে সক্রিয় হয়েছে যুব তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার চারটি বিধানসভা আসনেই জয় ধরে রাখার লক্ষ্যে ‘চারে চার’ স্লোগানকে সামনে রেখে ব্লক ও বুথ স্তরে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।

শাসকদলের যুব সংগঠনের দাবি , বিগত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে যুব সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে আদিবাসী অধ্যুষিত জঙ্গলমহল এলাকায় সংগঠন আরও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জেলা যুব নেতৃত্বের দাবি, কর্মসংস্থান, রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন এই বিষয়গুলিকে সামনে রেখেই মানুষের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিরোধীদের বিরুদ্ধে ‘ভিত্তিহীন প্রচার’ ও ‘ভোটের আগে বিভ্রান্তি তৈরির রাজনীতি’-র মোকাবিলায় পাল্টা প্রচার চালানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

শাসকদলের যুব সংগঠন আরও জানা গিয়েছে, প্রত্যেক বুথে যুব কর্মীদের সক্রিয় রাখা, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার জোরদার করা এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর কৌশল নেওয়া হয়েছে। জেলার চারটি বিধানসভা কেন্দ্র ঝাড়গ্রাম, গোপীবল্লভপুর এবং দুটি আদিবাসী সংরক্ষিত আসনেই সংগঠনের ভিত যথেষ্ট মজবুত বলে দাবি শাসকদলের।

বর্তমানে ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং জেলার আটটি পঞ্চায়েত সমিতির নিয়ন্ত্রণ রয়েছে তৃণমূলের হাতে। জেলার ৭৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যেও অধিকাংশ এলাকায় শাসকদলের প্রভাব স্পষ্ট। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সাংগঠনিক শক্তিই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনাকে আরও জোরদার করছে।

অন্যদিকে বিশ্লেষকদের মতে, জঙ্গলমহলে বিরোধী দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শাসকদলকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভান্ডার, বিনামূল্যে রেশন-সহ একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক ‘যুবসাথী’ প্রকল্পও যুব সমাজের মধ্যে উৎসাহ তৈরি করেছে।

ঝাড়গ্রাম জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি সুমন সাহু জানান, তাঁদের প্রধান লক্ষ্য প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় পৌঁছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষ ঠিকভাবে পাচ্ছেন কি না তা খতিয়ে দেখা। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই ঝাড়গ্রামে ‘চারে চার’ ধরে রাখা এবং জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ানো। বুথ স্তর থেকে সংগঠন শক্তিশালী করে গ্রামে গ্রামে মানুষের পাশে থাকব।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande