
বারুইপুর , ১৯ ফেব্রুয়ারি ( হি.স.) : সোশ্যাল মিডিয়ায় জমির নিচ থেকে সোনার মূর্তি পাওয়ার বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করেছিলেন এক ব্যবসায়ী। সেই সূত্র ধরেই লক্ষাধিক টাকার প্রতারণার শিকার হলেন কসবা থানার এলাকার বাসিন্দা হোটেল ব্যবসায়ী ধরমবীর সাউ। অভিযোগ, প্রথমে সোনার মূর্তি যাচাই করার জন্য ডাকা হয় তাঁকে। পরীক্ষায় সোনা থাকার প্রমাণ মেলায় আস্থা বাড়ে ব্যবসায়ীর। এরপর ধাপে ধাপে মোট ১১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেন তিনি। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় সোনার গণেশ, লক্ষ্মীর মূর্তি ও একটি ঘণ্টা। তবে সব প্রতিমা একসঙ্গে নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা করাতেই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর সত্য—সেগুলি আসল সোনা নয়। প্রতারণা হয়েছেন বুঝতে পেরেই তিনি বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
পরে আবার ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এই প্রতারক আরও একটি মূর্তি দেবার নাম করে কৃষ্ণমোহন রেল স্টেশনের কাছে তাঁকে ডাকা হয় তখনই ওই প্রতারককে ধরেন ধরমবীর সাউ। আশেপাশের মানুষজন ছুটে আসে তাকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন। খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিশ অভিযুক্ত ফারুক বৈদ্যকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে ২টি মুর্তি, ১টি পুজার ঘন্টা ও নগদ ২ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। ধৃত বারুইপুরের চাঁদুখালির বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনায় কোনও বড় চক্র জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তে নেমে আরও তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করছে পুলিশ।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা