বুদবুদে কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে কৃষকদের নিয়ে সচেতনতা কর্মশালা
দুর্গাপুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : ফসল চাষের সময় কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের সুরক্ষা ও সচেতনতা বাড়াতে বুদবুদ কেন্দ্রীয় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র-এ এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় রসায়ন ও পেট্রোরসায়ন বিভাগের অধীন এইচআইএল সংস্থার উদ্যোগে বৃ
বুদবুদে কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে কৃষকদের নিয়ে সচেতনতা কর্মশালা


দুর্গাপুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : ফসল চাষের সময় কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের সুরক্ষা ও সচেতনতা বাড়াতে বুদবুদ কেন্দ্রীয় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র-এ এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় রসায়ন ও পেট্রোরসায়ন বিভাগের অধীন এইচআইএল সংস্থার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বুদবুদের দেবী প্রেক্ষাগৃহে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রায় ৩০০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন এইচআইএল সংস্থার সহকারী জেনারেল ম্যানেজার তথা কৃষিবিজ্ঞানী পার্থ প্রতিম প্রধান, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বরিষ্ঠ বিজ্ঞানী ডঃ আজিজুর রহমান, ডঃ সুব্রত সরকার, বিনোদ কুমার-সহ অন্যান্যরা।

কর্মশালায় ধান, আলু ও সবজি চাষে বিভিন্ন রোগ ও পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার উপায় নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি কীটনাশক ছড়ানোর সময় কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে, সে বিষয়েও কৃষকদের হাতে-কলমে সচেতন করা হয়।

কৃষিবিজ্ঞানী পার্থ প্রতিম প্রধান বলেন, “সঠিক উপায়ে ও পরিমিত মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি। ধান চাষে শোষক পোকার দমনে স্বল্পমূল্যের হিলমিডা কার্যকর এবং মাজরা পোকার ক্ষেত্রে হিলকো সুপার স্প্রে উপকারী।”

তিনি আরও জানান, “যেকোনও কীটনাশক ব্যবহারের সময় কৃষকদের মাথায় টুপি, মুখে মাস্ক, চোখে সুরক্ষা চশমা ও শরীরে অ্যাপ্রন ব্যবহার করা উচিত, যাতে শরীরকে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করা যায়।” কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী কৃষকদের মধ্যে কীটনাশক প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা কিটও বিতরণ করা হয়। এ ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগে খুশি কৃষকরা।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande