সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ডিমা হাসাও জেলার বিভাজন মানবে না ডিমাসা স্টুডেন্টস্ ইউনিয়ন
হাফলং (অসম), ১৯ ফেব্ৰুয়ারি (হি.স.) : সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ডিমা হাসাও জেলার বিভাজন কোনওভাবে মেনে নেবে না অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দিশপুরে জনতা ভবনে রাজ্যের মন্ত্রী পীযূষ হাজরিকার সঙ্গে ইন্ডিজেনাস পিপলস ফোরাম, ইন্ডিজেনাস স্টুডেন
সাংবাদিক সম্মেলনে ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি আরুজিৎ কেম্প্ৰাই


হাফলং (অসম), ১৯ ফেব্ৰুয়ারি (হি.স.) : সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ডিমা হাসাও জেলার বিভাজন কোনওভাবে মেনে নেবে না অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দিশপুরে জনতা ভবনে রাজ্যের মন্ত্রী পীযূষ হাজরিকার সঙ্গে ইন্ডিজেনাস পিপলস ফোরাম, ইন্ডিজেনাস স্টুডেন্টস ফোরাম এবং ইন্ডিজেনাস উইমেন ফোরামের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মার সঙ্গে পৃথক রাজ্য গঠনের ইস্যুতে এক ইতিবাচক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি আরুজিৎ কেম্প্রাই।

বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ খবর দিয়ে আরুজিৎ কেম্প্রাই অভিযোগ করেন, ইন্ডিজেনাস পিপলস ফোরামের সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ডিমা হাসাও জেলাকে দুভাগ করে পৃথক দুটি জেলা গঠন কোনওভাবে মেনে নেবে না অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পৃথক জেলা গঠনের ইন্ডিজেনাস পিপলস ফোরামের সঙ্গে দিশপুরে ১৩ ফেব্রুয়ারি এবং বুধবার যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এতে ডিমাসা জনগোষ্ঠীর কোনও সংগঠনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তাই ওই বৈঠকে পৃথক জেলা গঠন ইস্যুতে যে আলোচনা হয়েছে তা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জনসমক্ষে প্রকাশ করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন।

তিনি বলেন, তবে, সরকার যদি আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু জনসমক্ষে নিয়ে না আসে, তা-হলে আগামী রবিবার এ নিয়ে ছাত্র সংগঠনটির স্থিতি কী হবে তা সাংবাদ মাধ্যের কাছে প্রকাশ করা হবে।

আরুজিৎ কেম্প্রাই বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমরা ডিমারাজি রাজ্য গঠনের দাবি জানিয়ে আসার পরও সরকার আমাদের একবারও বৈঠকে আমন্ত্রণ জানায়নি। তিনি আরও বলেন, ডিএইচডি উভয় গোষ্ঠীর সঙ্গে স্বাক্ষরিত মস চুক্তির বহু ধারার এখনও সফল রূপায়ণ করেনি সরকার। এই অবস্থায় সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ইন্ডিজেনাস পিপলস ফোরামের পৃথক জেলা গঠনের ইস্যু নিয়ে সরকার যে স্থিতি নিয়েছে তার তীব্র বিরোধিতা করবে অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন, স্পষ্ট করে দিয়েছেন আরুজিৎ কেম্প্রাই।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৩০ মার্চ তৎকালীন রাজ্য সরকার উত্তর কাছাড় পার্বত্য জেলার নাম বদল করে ডিমা হাসাও জেলা করার পর থেকে ইন্ডিজেনাস পিপলস ফোরাম ডিমা হাসাও জেলাকে দুভাগ করে দুটি পৃথক জেলা গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande