রাজস্থানে বৃষ্টি–শিলাবৃষ্টির পর পরিষ্কার আকাশ, একাধিক জেলায় ঘন কুয়াশা
জয়পুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): বিগত দু’দিনের বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার রাজস্থানের অধিকাংশ জেলায় আকাশ পরিষ্কার হয়েছে। তবে ভোরের দিকে কুয়াশার দাপটে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়। কোটপুতলি-বেহরোর, আজমির এবং কোটা সহ একাধিক এলাকায় দৃশ্যমানত
রাজস্থানে বৃষ্টি–শিলাবৃষ্টির পর পরিষ্কার আকাশ, একাধিক জেলায় ঘন কুয়াশা


জয়পুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): বিগত দু’দিনের বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার রাজস্থানের অধিকাংশ জেলায় আকাশ পরিষ্কার হয়েছে। তবে ভোরের দিকে কুয়াশার দাপটে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়। কোটপুতলি-বেহরোর, আজমির এবং কোটা সহ একাধিক এলাকায় দৃশ্যমানতা নেমে আসে প্রায় ৫০ মিটারে। কিছু স্থানে জাতীয় ও রাজ্য সড়কে দৃশ্যমানতা ১০ মিটার পর্যন্ত কমে যায়।

কোটপুতলি-বেহরোরের গ্রামীণ এলাকায় সকালবেলা ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় মাঠঘাট। জাতীয় সড়ক-৪৮-সহ বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চালকদের ফগ লাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলতে হয়। ফাল্গুন মাসে এ ধরনের কুয়াশা আবহ বিদদেরও বিস্মিত করেছে।

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বুধবার রাজ্যের বহু জেলায় শিলাবৃষ্টি হয়, যার জেরে দিনের তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যায়। বিগত ২৪ ঘণ্টায় জয়পুর, সিকার, ঝুনঝুনু, চুরু, আলওয়ার, ভরতপুর, ধোলপুর, কারাউলি, দৌসা, সওয়াই মাধোপুর, বুন্দি, বরন, ঝালাওয়ার, ভিলওয়ারা, টঙ্ক এবং চিত্তোরগড় সহ বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে।

উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রাজস্থানে ঠান্ডা অনুভূত হলেও পশ্চিমাঞ্চলে রোদ ওঠায় হালকা গরম অনুভূত হয়। বৃহস্পতিবার আবহাওয়া দফতরের সূত্রে জানা গেছে , বারমেরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

জয়পুর আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব এখন কেটে গেছে। আগামী কয়েক দিন রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় আবহাওয়া শুষ্ক ও স্বাভাবিক থাকবে এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। আপাতত কোথাও বৃষ্টির কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / ফারজানা পারভিন




 

 rajesh pande