বালির ‘ভাইটাল’ না পেয়ে বিশালগড়ে বন দফতরের অফিসের সামনে চালক ও শ্রমিকদের ধর্না
বিশালগড় (ত্রিপুরা), ১৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : বালির ‘ভাইটাল’ (ছাড়পত্র) না পাওয়ার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন গাড়ি চালক ও বালিঘাটে কর্মরত শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার বেলা প্রায় ১২টা নাগাদ সিপাহীজলা জেলার বিশালগড় জাঙ্গালিয়া এলাকায় মহকুমা বন আধিকারিক (এসডিএফ
শ্রমিকদের ধর্না


বিশালগড় (ত্রিপুরা), ১৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : বালির ‘ভাইটাল’ (ছাড়পত্র) না পাওয়ার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন গাড়ি চালক ও বালিঘাটে কর্মরত শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার বেলা প্রায় ১২টা নাগাদ সিপাহীজলা জেলার বিশালগড় জাঙ্গালিয়া এলাকায় মহকুমা বন আধিকারিক (এসডিএফও) ঈশান লালের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন তাঁরা।

ধর্নায় সামিল চালকদের অভিযোগ, গত ছয় মাস ধরে সমস্ত বৈধ কাগজপত্র ও ক্যারিং লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও বন দফতর তাঁদের বালির 'ভাইটাল' দিচ্ছে না। ফলে তাঁরা কার্যত কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম আর্থিক সঙ্কটে দিন কাটাতে হচ্ছে। তাঁদের দাবি, বিষয়টি একাধিকবার দফতরের কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কেবল আশ্বাসই মিলেছে, সমস্যার সমাধান হয়নি।

চালকরা আরও জানান, তাঁরা স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত দেবের কাছেও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। বন দফতরের পক্ষ থেকে বালিঘাটগুলির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতার কথা বলা হলেও চালকদের বক্তব্য, “ঘাটের কাগজপত্র দফতরের বিষয়। আমাদের গাড়ির সব কাগজ বৈধ থাকা সত্ত্বেও কেন 'ভাইটাল' দেওয়া হচ্ছে না?”

প্রতিবাদকারীদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আগামী শনিবার গাড়িচালক ও বালিঘাটের শ্রমিক—প্রায় ৪০০ পরিবার একত্রিত হয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধে নামবেন।

বালির 'ভাইটাল' না মেলায় এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি নির্মাণকাজও কার্যত থমকে রয়েছে বলে দাবি করেছেন শ্রমিকরা। ধর্নার সময় অফিসে কোনও আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন না বলেও তাঁরা সংবাদমাধ্যমকে জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশালগড় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande