আগরতলার জয়পুর দক্ষিণপাড়ায় উচ্ছেদ পরিবারদের পুনর্বাসন ঘিরে উত্তেজনা
আগরতলা, ১৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : রাজধানীর পশ্চিম আগরতলা থানাধীন জয়পুরের দক্ষিণপাড়ায় উচ্ছেদ হওয়া ১৯টি পরিবারের অস্থায়ী পুনর্বাসনকে কেন্দ্র করে টানা দ্বিতীয় দিন উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সরকারি জমিতে জল ছেড়ে দেওয়া এবং ট্রাক্টর
অস্থায়ী বসবাস


আগরতলা, ১৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : রাজধানীর পশ্চিম আগরতলা থানাধীন জয়পুরের দক্ষিণপাড়ায় উচ্ছেদ হওয়া ১৯টি পরিবারের অস্থায়ী পুনর্বাসনকে কেন্দ্র করে টানা দ্বিতীয় দিন উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সরকারি জমিতে জল ছেড়ে দেওয়া এবং ট্রাক্টর এনে চাষের প্রস্তুতি নেওয়াকে ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

জানা গেছে, হাওড়া নদীর পাড় থেকে উচ্ছেদ হওয়া ১৯টি পরিবার আপাতত এক কানি ছয় গন্ডা আয়তনের সরকারি জমিতে তাবু খাটিয়ে বসবাস করছে। তাঁদের অভিযোগ, ঝুমা বেগম নামে স্থানীয় এক মহিলা ওই জমিতে থাকতে বাধা দিচ্ছেন এবং বৃহস্পতিবার সকালে জমিতে জল ছেড়ে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উচ্ছেদকৃত পরিবারগুলির সদস্যরা প্রতিবাদে সামিল হন।

উচ্ছেদ পরিবারগুলির এক মহিলা জানান, প্রশাসনের নির্দেশে তাঁরা নিজেরাই নদীর পাড়ের ঘর ভেঙে সরিয়ে নিয়েছিলেন। জেলা শাসক, মহকুমা শাসক ও আগরতলা পুর নিগম এক মাসের মধ্যে পুনর্বাসনের আশ্বাস দিলেও সাত মাস কেটে গেলেও স্থায়ী ব্যবস্থা হয়নি। বর্তমানে কেউ ভাড়া বাড়িতে, আবার কেউ খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। পরীক্ষার সময় হওয়ায় ছাত্রছাত্রীরা সমস্যায় পড়েছে। পাশাপাশি অনেকেই রোজা পালন ও দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যেতে সমস্যায় পড়েছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, ঝুমা বেগম এলাকায় প্রভাবশালী এবং বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে ঝুমা বেগম জানান, প্রায় ৪৫ বছর আগে তাঁর পিতা দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে জমিটি কিনেছিলেন, যদিও কাগজপত্র করা হয়নি। তাঁর দাবি, জমিটি তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং সেখানে চাষাবাদ করবেন। তিনি আরও বলেন, জমিটি সরকারি—এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

বুধবার রাতে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সীমান্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএসএফ জওয়ানরা উচ্ছেদ পরিবারগুলিকে নিরাপত্তা প্রদান করে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande