রাজনৈতিক বিরোধ ঘিরে রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, বিপাকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী দুই বোন
দুর্গাপুর, ২০ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বাড়িতে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কাঁকসার এগারোমাইল এলাকায়। ঘটনায় চরম সমস্যায় পড়েছেন ওই পরিবারের দুই মেয়ে, যারা চলতি বছরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। অভিযোগে
রাজনৈতিক বিরোধ ঘিরে রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, বিপাকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী দুই বোন


দুর্গাপুর, ২০ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বাড়িতে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কাঁকসার এগারোমাইল এলাকায়। ঘটনায় চরম সমস্যায় পড়েছেন ওই পরিবারের দুই মেয়ে, যারা চলতি বছরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। অভিযোগের জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগকারীর নাম বিমল মৈত্র। তিনি কাঁকসার বনকাটি পঞ্চায়েতের এগারোমাইল এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় ব্যবসায়ী। নিজেকে সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই প্রতিবেশীরা তাঁর বাড়ির সামনের যাতায়াতের রাস্তা কেটে দিয়েছেন। শুক্রবার করা অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার একটি জেসিবি ব্যবহার করে প্রায় চার ফুট মাটি কেটে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিমল মৈত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ওই রাস্তা তিনি ও আশপাশের বাসিন্দারা ব্যবহার করে আসছেন। রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুক্রবার তাঁর দুই মেয়েকে বাড়ির পেছনের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল এলাকা পেরিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হয়েছে। তিনি বিষয়টি ব্লক প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ভূমি দফতরে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

বিমল মৈত্র বলেন, “শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই পরিকল্পিতভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে সমস্যায় ফেলা হচ্ছে। অতীতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, তখন প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মীমাংসা হয়।” এদিকে, বিজেপির বর্ধমান–দুর্গাপুর সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি রমন শর্মা ঘটনাটির তীব্র নিন্দা করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। বনকাটি পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা সৈয়দ কিরন বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।” শুক্রবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande