
হুগলি, ২১ ফেব্রুয়ারি (হি. স.): এক বিএলও-র আত্মহত্যার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে শনিবার নানা প্রশ্ন দেখা যায়। তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও দাবি করেন, ‘অসহ্য হয়ে উঠেছিল কাজের চাপ। এসআইআরের চাপ আর নিতে পারছিলেন না”!
ওই ব্যক্তির নাম মহম্মদ কায়ামুদ্দিন। ঘটনাটি ঘটে হুগলির শ্রীরামপুরে। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়ের বাসিন্দা, পেশায় স্কুল শিক্ষক। শনিবার তিনি একটি ব্যাগ নিয়ে টিটাগড় থেকে শ্রীরামপুরে গিয়েছিলেন। এরপর ফেরিঘাট থেকে লঞ্চে ওঠেন।
লঞ্চ মাঝ নদীতে এসে সকলকে অবাক করে গঙ্গায় ঝাঁপ দেন তিনি। ব্যাগটি লঞ্চেই রাখা ছিল। ঘটনায় উপস্থিত অন্যান্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। ফেরির কর্মীরা তাঁকে বাঁচানোর জন্য দ্রত জলে ঝাঁপ দেন। ততক্ষণে ওই ব্যক্তি কিছুটা জলের তোড়ে ভেসেও গিয়েছিলেন। বেশ কিছু সময় পরে জল থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত