
কলকাতা, ২১ ফেব্রুয়ারি (হি. স. ) : মানহানির অভিযোগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে আইনি নোটিস পাঠালেন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। রাজীববাবুর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।
প্রাক্তন ডিজি-র অভিযোগ, কয়লাকাণ্ড এবং গরুপাচার মামলার সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন পুলিশপ্রধানকে জুড়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যাতে রাজীববাবুর সম্মান নষ্ট হয়েছে। সুকান্তবাবুকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করে রাজীববাবু আইনজীবী মারফত সুকান্তবাবুকে চিঠি পাঠিয়েছেন। পাল্টা খোঁচা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও।
দু’পাতার ওই চিঠিতে রাজীববাবুর আইনজীবী লেখেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে একটি মানহানিকর ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে আপলোড করা হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম-সহ বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিয়োয় রাজীববাবুর বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা, সাজানো এবং বিদ্বেষপূর্ণ বক্তৃতা করতে দেখা যাচ্ছে সুকান্তবাবুকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তৃতার কোন অংশ নিয়ে আপত্তি, তা-ও বিস্তারিত জানানো হয়েছে চিঠিতে।
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি ভিডিয়োর লিঙ্কও জুড়ে দেওয়া হয়েছে সেখানে। অভিযোগ করা হচ্ছে, রাজীবের সুনাম, খ্যাতি এবং পেশাগত চরিত্রকে কলঙ্কিত করার উদ্দেশ্যেই এমন মন্তব্য করা হয়েছে। পাল্টা বিঁধেছেন সুকান্তবাবুও।
রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “ওঁর যা ভাবমূর্তি, তা তো আপনারা-আমরা সবাই জানি। ফাইল লোপাটে অভিযুক্ত বলে তাঁকে অনেকে মনে করেন। তাঁকে ধরতে সিবিআই গিয়েছিল তাঁর বাসভবনে। সাম্প্রতিক যে ঘটনা ঘটেছিল, তাতে দেখা গিয়েছে ‘ফাইল চুরিকাণ্ডে’ উনি মুখ্যমন্ত্রীর শাগরেদ হয়েছেন। হাতে হাত মিলিয়েছেন।
এই যে ভাবমূর্তি, তা আমি আর কতটুকু উজ্জ্বল করতে পারব। উনি নিজেই উজ্জ্বল করে রেখেছেন। আদালতের কী কী পর্যবেক্ষণ আছে, আপনারা শুনেছেন। প্রয়োজনে আগামী দিনে আমরাও সমাজমাধ্যমের সামনে আনব। উনি আইনি পথে লড়তে চেয়েছেন, আমরা আইনি পথে লড়ব।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত