বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের ৪৩-তম বাৎসরিক উৎসব সম্পন্ন, জনজাতি সমাজের ক্ষমতায়নে জোর
কলকাতা, ২২ ফেব্রুয়ারি (হি. স.):- অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের রবিবার ছিল ৪৩ তম বার্ষিক উৎসব। সেই উপলক্ষে কলকাতায় কলা মন্দিরে অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের সঙ্গে যুক্ত পূর্বাঞ্চল কল্যাণ আশ্রম জনজাতি (বনবাসী) সমাজ এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়
কলা মন্দিরের অনুষ্ঠান


কলকাতা, ২২ ফেব্রুয়ারি (হি. স.):- অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের রবিবার ছিল ৪৩ তম বার্ষিক উৎসব। সেই উপলক্ষে কলকাতায় কলা মন্দিরে অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের সঙ্গে যুক্ত পূর্বাঞ্চল কল্যাণ আশ্রম জনজাতি (বনবাসী) সমাজ এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধান উদ্দেশ্য হল জনজাতি সমাজের শিক্ষা, চিকিৎসা, স্বাবলম্বন এবং শ্রদ্ধা জাগরণের মাধ্যমে তাদের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন ঘটিয়ে জাতীয় উন্নয়নের মূল ধারার সঙ্গে যুক্ত করা। এই লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে গত ৭৩ বছর (১৯৫২–২০২৫) ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের কলকাতা ও হাওড়া মহানগর শাখা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রখ্যাত শিল্পপতি ও হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চেয়ারম্যান শ্রী প্রমোদ গুপ্ত। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. শ্যাম আগরওয়াল । তিনি বলেন, বাংলার রাজনীতিতে অনুশাসন প্রয়োজন। অনুশাসন এলে মানুষের কল্যাণ হবে। বনবাসী কল্যাণ আশ্রম জনজাতি সমাজের জন্য অবিরাম কাজ করছে। সমাজের মুখ্য ধারার সঙ্গে জনজাতি সমাজকে জুড়ে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন সুপরিচিত চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা ডা. চন্দ্রপ্রকাশ দ্বিবেদী। তিনি বলেন, সভ্যতার বিকাশ হয়েছে বন থেকে শহরে। রামায়ণের উল্লেখ করে বনাঞ্চলের উপযোগিতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন বনাঞ্চলের মধ্যেও শিক্ষা বিরাজমান।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে খ্যাতনামা নরেশ বাবা শ্যামের কাহিনির উপর ভিত্তি করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘হারে কা সহারা – বর্বরিক শ্যাম হামারা’ মঞ্চস্থ হয়। পশ্চিম বঙ্গ প্রান্তের সচিব সঞ্জয় রাস্তগী জানান শুধু বাংলা নয় গোটা ভারত জুড়ে অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের তত্বাবধানে এই কাজ চলছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande