প্রয়াত যশস্বী সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
গুয়াহাটি, ২২ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : চলে গেলেন যশস্বী সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। আজ রবিবার সকাল ৭-টা ৩৫ মিনিটে গুয়াহাটির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন নির্ভিক সত্যনিষ্ঠ আপসহীন সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথ। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯৮ ব
যশস্বী সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী


গুয়াহাটি, ২২ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : চলে গেলেন যশস্বী সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। আজ রবিবার সকাল ৭-টা ৩৫ মিনিটে গুয়াহাটির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন নির্ভিক সত্যনিষ্ঠ আপসহীন সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথ। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর।

বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তাঁকে বেসরকারি জিএনআরসি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। কিন্তু ডাক্তারদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে আজ সকালে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে তাঁর সাধনোচিত ধামে চলে গেছেন তিনি।

অসমীয়া সাংবাদিকতায় ধীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ছিল এক বিশিষ্ট ও দীর্ঘ কর্মজীবন। ১৯৯২ সালে রাজ্যের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের অধিকর্তা হিসেবে চাকরি জীবন থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা ও নেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। চাকরি থেকে অবসরের পর তিনি অসমের একাধিক প্ৰথমসারির সংবাদপত্রের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সাপ্তাহিক ‘প্রাগজ্যোতিষ’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। মৃত্যুর আগে গত সপ্তাহের সংস্করণেও তিনি বলিষ্ঠ সম্পাদকীয় লিখেছেন ‘প্রাগজ্যোতিষ’-এ।

এছাড়া এর আগে তিনি যে সব অসমীয়া দৈনিকের সম্পাদক হিসেবে অবদান রেখেছিলেন সেগুলি যথাক্রমে ‘আজির বাতরি’, ‘দৈনিক অসম’, ‘দৈনিক জনমভূমি’, রাজ্যের তথ্য ও জনসংযোগ কর্তৃক প্রকাশিত ‘রাইজর বাতরি’ ইত্যাদি।

বেশ কয়েকটি বইয়ের লেখক ধীরেন্দ্ৰনাথ চক্ৰবৰ্তীকে ২০১৯ সালে অসম সরকারের ‘রাজ্য সাংবাদিকতা’র জন্য ‘প্রজাতন্ত্র দিবস পুরস্কার’ প্রদান করা হয়েছিল। সন্ত্ৰাসবাদের বিরুদ্ধে এবং অসমীয়া জাতীয়তাবাদের প্ৰশ্নে সর্বদা অনমনীয় স্থিতি ছিল প্ৰবীণ সাংবাদিক ধীরেন্দ্রনাথের।

কয়েক দশকজুড়ে বিস্তৃত তাঁর সাংবাদিকতা-জীবন সত্যনিষ্ঠ ও গভীর বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। সহকর্মী ও সমসাময়িকরা তাঁকে অসমীয়া সাংবাদিকতার এক পথপ্রদর্শক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্মরণ করেন। তাঁর কাজ জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং এক প্রজন্মের সাংবাদিকদের দিশা দেখিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande