
গুয়াহাটি, ২৫ ফেব্ৰুয়ারি (হি.স.) : ভারতীয় রেলওয়ে আসন্ন হোলি উৎসবের সময় সুগম ও আরামদায়ক ভ্রমণের সুবিধার্থে এবং প্রত্যাশিত বর্ধিত যাত্রীভিড় সুচারুরূপে পরিচালনার জন্য উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়েতে ১৪ জোড়া হোলি স্পেশাল ট্রেন ১২৮টি ট্রিপের জন্য চালাবে।
আজ বুধবার উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা এক প্রেস বিবৃতিতে এ খবর দিয়ে জানান, চলতি ফেব্রুয়ারি থেকে হোলি স্পেশাল ট্রেন হিসেবে ১১ জোড়া ট্রেন ইতিমধ্যেই চলছে। এছাড়া টাটানগর-কাটিহার-টাটানগর, আগরতলা-গুয়াহাটি-আগরতলা এবংকিষাণগঞ্জ-লালকুয়ান-কিষাণগঞ্জের মধ্যে আরও তিনটি স্পেশাল ট্রেন চলবে। এই ট্রেনগুলি যথাক্রমে স্পেশাল ট্রেন নম্বর ০৮১৮১ টাটানগর-কাটিহার ২ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত প্রতি সোমবার টাটানগর থেকে ১৩:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরের দিন ০৭:৩০ ঘণ্টায় কাটিহার পৌঁছবে। ফেরত যাত্রায় স্পেশাল ট্রেন নম্বর ০৮১৮২ কাটিহার-টাটানগর ৩ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রতি মঙ্গলবার কাটিহার থেকে ১০:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরেরদিন ০৪:৩০ ঘণ্টায় টাটানগর পৌঁছবে। দুটি ট্রেনই পাঁচ ট্রিপ করে চলবে।
একইভাবে, স্পেশাল ট্রেন নম্বর ০৫৬২৮ আগরতলা-গুয়াহাটি ৫ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার আগরতলা থেকে ১৯:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরের দিন সকাল ০৯:০০ ঘণ্টায় গুয়াহাটি পৌঁছাবে। ফেরত পথে স্পেশাল ট্রেন নম্বর ০৫৬২৭ গুয়াহাটি-আগরতলা ৬ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার গুয়াহাটি থেকে ১৩:১৫ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরের দিন ০৪:২৫ ঘণ্টায় আগরতলা পৌঁছবে। দুটি ট্রেনই চারটি ট্রিপ করে চলবে।
এছাড়া, ট্রেন নম্বর ০৫৭৪১ কিষাণগঞ্জ-লালকুয়ান ৫ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার কিষাণগঞ্জ থেকে ০৮:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরের দিন ১৫:৪০ ঘণ্টায় লালকুয়ান পৌঁছবে। ফিরতি পথে স্পেশাল ট্রেন নম্বর ০৫৭৪২ লালকুয়ান-কিষাণগঞ্জ ৬ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার লালকুয়ান থেকে ২০:৪০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে রবিবার ০২:০০ ঘণ্টায় কিষাণগঞ্জ পৌঁছবে। দুটি ট্রেনই চারটি ট্রিপ করে চলবে।
স্পেশাল ট্রেন চালানোর পাশাপাশি উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে উৎসবের মরশুমে যাত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের জন্য জোনের প্রধান স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পরিষ্কার পানীয় জলের উপলব্ধতা, সুরক্ষা ব্যবস্থা মজবুত, প্ল্যাটফর্ম এবং সার্কুলেটিং এরিয়ায় সুশৃঙ্খল ভিড় ব্যবস্থাপনা ও হেল্পডেস্ক এবং অতিরিক্ত অন-গ্রাউন্ড কর্মীদের মাধ্যমে যাত্রী সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উৎসবের সময় যাত্রীদের সুরক্ষিত, সুশৃঙ্খল এবং আরামদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপগুলি নেওয়া হয়েছে।
স্পেশাল ট্রেনগুলির বিস্তারিত সময়সূচি, স্টপেজ ও সময় আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট এবং রেলওয়ে অনুসন্ধান কাউন্টারে পাওয়া যাবে। যাত্রীদের যাত্রা শুরুর আগে ট্রেনের বিবরণ যাচাই করা এবং শুধুমাত্র অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে টিকিট বুক করার পরামর্শ দিয়েছেন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস