
উদয়পুর (ত্রিপুরা), ২৫ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিশেষভাবে নজরদারির নির্দেশ দিলেন রাজ্যের মৎস্য, প্রাণীসম্পদ বিকাশ ও তপশিলি জাতি কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস। পাশাপাশি তপশিলিজাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীরা যাতে সময়মতো স্টাইপেন্ড পায় তাও সুনিশ্চিত করতে বলেন তিনি।
মঙ্গলবার গোমতী জেলা পঞ্চায়েতরাজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স হলে আয়োজিত জেলা ভিত্তিক এক পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করে মন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় তিনটি দফতরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মৎস্য দফতরের উপঅধিকর্তা কৃষ্ণ হরি-ত্রিপুরা জানান, গোমতী জেলায় মাছ চাষের জন্য ৫৮৫২ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে এবং জেলায় মোট মৎস্যচাষীর সংখ্যা ২৯,৪১৭ জন। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জেলায় ১৬,২৬৬ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়েছে। মৎস্যচাষীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য জেলায় ৪টি নলেজ সেন্টার চালু রয়েছে। এছাড়া ২৩টি হ্যাচারিতে মাছের পোনা উৎপাদন হচ্ছে এবং ব্যক্তিগত মালিকানায় ২টি অর্নামেন্টাল ফিশ হ্যাচারিও চালু রয়েছে। মৎস্য সহায়ক যোজনার আওতায় উপযুক্ত সুবিধাভোগীদের ৬,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
প্রাণীসম্পদ বিকাশ দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদয়পুরে ডিস্ট্রিক্ট ভেটেনারি হাসপাতালের নতুন ভবন সম্প্রতি চালু হয়েছে।
তপশিলি জাতি কল্যাণ দফতরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রকল্প নিয়েও সভায় বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া, উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সচিব দীপা ডি নায়ার, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের, প্রাণীসম্পদ বিকাশ দফতরের অধিকর্তা ডা. চঞ্চল এন সহ জেলার তিনটি মহকুমার মহকুমা শাসক ও বিভিন্ন পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যানরা।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ