ধূপগুড়িতে ইতিহাসের প্রথম বৃহৎ ‘ত্যারেয়া ফেলা’ উৎসব, লোকঐতিহ্য পুনরুজ্জীবনে অভিনব উদ্যোগ
ধূপগুড়ি, ২৫ ফেব্রুয়ারি (হি. স.):- বসন্তের রঙে রাঙা প্রকৃতির আবহে উত্তরবঙ্গের ধূপগুড়িতে এবার আয়োজিত হতে চলেছে এক ব্যতিক্রমী লোকউৎসব। কালীরহাট সংলগ্ন দেবীডাঙ্গা এলাকায় আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে প্রাচীন ঐতিহ্য ‘ত্যারেয়া ফেলা ও রাখালসেবা’। আয
বিশেষ আয়োজন


ধূপগুড়ি, ২৫ ফেব্রুয়ারি (হি. স.):- বসন্তের রঙে রাঙা প্রকৃতির আবহে উত্তরবঙ্গের ধূপগুড়িতে এবার আয়োজিত হতে চলেছে এক ব্যতিক্রমী লোকউৎসব। কালীরহাট সংলগ্ন দেবীডাঙ্গা এলাকায় আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে প্রাচীন ঐতিহ্য ‘ত্যারেয়া ফেলা ও রাখালসেবা’। আয়োজকদের দাবি, এত বড় পরিসরে এই উৎসব এর আগে কখনও পালিত হয়নি।একসময় উত্তরবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে শীত বিদায় ও বসন্তকে বরণ করার প্রতীক হিসেবে ‘ত্যারেয়া ফেলা’র প্রচলন ছিল। সময়ের স্রোতে সেই প্রথা আজ প্রায় বিলুপ্ত। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেই দেবীডাঙ্গা ত্যারেয়া উৎসব কমিটি এই উদ্যোগ নিয়েছে।উৎসবের দিন গ্রামের আবালবৃদ্ধবনিতা প্রাচীন রীতি মেনে সমবেতভাবে ‘ত্যারেয়া’ ফেলবেন। পাশাপাশি নদীর তীরে গবাদি পশুদের স্নান করিয়ে পালন করা হবে বিশেষ আচার। আয়োজকদের মতে, এই রীতির শিকড় মহাভারতের যুগে প্রোথিত। অনুষ্ঠানে ভাগবত পাঠের আয়োজন থাকছে এবং প্রথাগত ‘রাখালসেবা’র প্রসাদ বিতরণ করা হবে।ইতিমধ্যেই দেবীডাঙ্গা এলাকায় উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গিয়েছে। আয়োজকদের আশা, এই উদ্যোগ কেবল ঐতিহ্য সংরক্ষণই নয়, সামাজিক সম্প্রীতি ও গ্রামীণ সংস্কৃতির পুনর্জাগরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande