(আপডেট) তিলজলা গুলিকাণ্ডে গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ
কলকাতা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ( হি. স.) : কলকাতার তিলজলা এলাকার গুলিকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার ভোরে অভিযুক্ত বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম মহম্মদ সলমন এবং তাঁর বাবা মহম্মদ আনোয়ার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় তি
(আপডেট) তিলজলা গুলিকাণ্ডে গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ


কলকাতা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ( হি. স.) : কলকাতার তিলজলা এলাকার গুলিকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার ভোরে অভিযুক্ত বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম মহম্মদ সলমন এবং তাঁর বাবা মহম্মদ আনোয়ার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় তিলজলা রেলগেট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের ধরা হয়। তল্লাশিতে তাঁদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতের ওই ঘটনার পর থেকেই দুজনেই আত্মগোপন করেছিল।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে তিলজলা রেলগেটের ২ নম্বর গেটের কাছে ওত পেতে থাকে এবং রাত ৩টে নাগাদ রিকশা স্ট্যান্ডের কাছ থেকে তাদের পাকড়াও করে।

তদন্তকারীদের মতে, সোমবার গভীর রাতে বেনিয়াপুকুর থানা এলাকার তিলজলা রোডে এই গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, মহম্মদ সলমন স্থানীয় যুবক মহম্মদ নিয়াজ ওরফে রাজাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি চালায়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ঝামেলার সূত্রপাত হয়েছিল খুব সামান্য কারণে—দোকান থেকে ঠান্ডা পানীয়র দুটি বোতল চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে। সোমবার দুপুরে এক বৃদ্ধ দোকানদার তাঁর ফ্রিজ থেকে দুটি বোতল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এক স্থানীয় যুবকের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আনেন। ওই যুবকের মা প্রতিবাদ জানালে দোকানদার বিষয়টি মেটানোর জন্য পাশের এলাকা থেকে সূরজ নামক এক যুবককে মধ্যস্থতা করতে ডাকেন। নিয়াজ এই বাইরে থেকে লোক ডাকার প্রতিবাদ করায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় এই বিবাদ চরম আকার ধারণ করে। সলমনের বাবা মহম্মদ আনোয়ারও সূরজকে ডাকার পক্ষ নেওয়ায় নিয়াজের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সেই সময়ই নিয়াজকে খুনের হুমকি দিয়েছিল সলমন। পরিবারের অভিযোগ, রাত ১টা নাগাদ সলমন আলোচনার কথা বলে নিয়াজকে ঘরের বাইরে ডাকে এবং তিনি বাইরে আসতেই লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দেয়। গ্যারেজ কর্মী নিয়াজের পায়ে দুটি গুলি লাগে। তাঁকে দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ধৃত বাবা ও ছেলেকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই ঘটনার নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande