দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রথম দোল উৎসবের প্রস্তুতি, ব্যাপক উন্মাদনা পর্যটক এবং ভক্তদের মধ্যে
দিঘা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ( হি. স.) : নবনির্মিত জগন্নাথ মন্দিরে এই বছর প্রথমবারের মতো দোল উৎসব পালিত হতে চলেছে। মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর এটিই প্রথম দোল পূর্ণিমা, তাই এই উৎসবকে ঘিরে পর্যটক এবং ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। দোল উপলক্ষ
দিঘার জগন্নাথ মন্দির


দিঘা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ( হি. স.) : নবনির্মিত জগন্নাথ মন্দিরে এই বছর প্রথমবারের মতো দোল উৎসব পালিত হতে চলেছে। মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর এটিই প্রথম দোল পূর্ণিমা, তাই এই উৎসবকে ঘিরে পর্যটক এবং ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। দোল উপলক্ষে ভগবান জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রাকে নতুন বস্ত্র ও সুগন্ধি পুষ্পে সুসজ্জিত করা হবে।

মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মূর্তিকে আবির দিয়ে সাজানোর পাশাপাশি দুপুরে বিশেষ অভিষেক এবং সন্ধ্যায় আড়ম্বরপূর্ণ পুজোর পর ভোগ নিবেদন করা হবে। এই বিশেষ ক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে মন্দির প্রশাসনের পাশাপাশি দিঘার হোটেল ব্যবসায়ীরাও বাড়তি প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মন্দির ট্রাস্ট কমিটির সদস্য তথা ইসকন কলকাতার সহ-সভাপতি রাধারমণ দাস জানিয়েছেন যে, দোলের জন্য বিশেষ পুজো ও প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতি বছর দেশ-বিদেশের বহু ভক্ত মায়াপুরে দোলে সমবেত হন, তবে এবার দিঘার জগন্নাথ মন্দিরকে ঘিরে বিদেশি ভক্তদের মধ্যেও বাড়তি উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি পর্যটক মন্দিরটি দর্শন করেছেন। মায়াপুর থেকে দিঘার মধ্যে নতুন বাস পরিষেবা চালু হওয়ায় যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে, যার ফলে মায়াপুরে আসা বিদেশি পর্যটকদের দিঘায় আসার সম্ভাবনা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

দিঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বুধবার জানিয়েছেন যে, দোলের ছুটি উপলক্ষে অগ্রিম বুকিংয়ে ব্যাপক গতি এসেছে। ওল্ড দিঘার অধিকাংশ হোটেলের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ঘর ইতিমধ্যেই বুক হয়েছে। অন্যদিকে, নিউ দিঘা হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মতে, সেখানেও প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ অগ্রিম বুকিং নথিভুক্ত হয়েছে এবং স্পট বুকিং আরও ভালো হওয়ার আশা করা হচ্ছে। দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের প্রশাসক সুরজিৎ পণ্ডিত জানিয়েছেন, উৎসবের দিনগুলিতে ভিড় সামাল দিতে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন সবরকম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande