“এসআইআর-এর বদলা নাও, বিজেপি-কে জবাব দাও”, দাবি তুলল সিপিআই এমএল-লিবারেশন
কলকাতা, ১৭ মার্চ, (হি.স.): ‘বৈধ ভোটারদের তালিকার বাইরে রেখে নির্বাচন ঘোষণা ও ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে রাজ্য প্রশাসন কব্জা করার চক্রান্ত’-র প্রতিবাদ জানাল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী), অর্থাৎ সিপিআই এমএল-লিবারেশন। এবারের নির্বাচনে ‘র
“এসআইআর-এর বদলা নাও, বিজেপি-কে জবাব দাও”, দাবি তুলল সিপিআই এমএল-লিবারেশন


কলকাতা, ১৭ মার্চ, (হি.স.): ‘বৈধ ভোটারদের তালিকার বাইরে রেখে নির্বাচন ঘোষণা ও ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে রাজ্য প্রশাসন কব্জা করার চক্রান্ত’-র প্রতিবাদ জানাল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী), অর্থাৎ সিপিআই এমএল-লিবারেশন।

এবারের নির্বাচনে ‘রাজ্যের মানুষের আওয়াজ’ বলে ধ্বণি তুলেছে -- এসআইআর-এর বদলা নাও, বিজেপি-কে জবাব দাও।

রাজ্য সম্পাদক অভিজিৎ মজুমদার এক বিবৃতিতে লিখেছেন, তাদের কাছে ওই অপচেষ্টা “গণতন্ত্রের ওপর নজিরবিহীন আঘাত”। দলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশ না করেই নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে। এটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর গুরুতর হামলা।

ভোটার তালিকায় নাম থাকা মানে শুধু ভোট দেওয়ার অধিকার নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভোটে দাঁড়ানো, কোনো প্রার্থীর প্রস্তাবক বা সমর্থক হওয়ার অধিকারও। সংবিধান প্রদত্ত এই অধিকারকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের নেই। লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম মুছে ফেলা, জীবিত মানুষকে মৃত দেখানো এবং বিপুল সংখ্যক নাগরিককে বিচারাধীন রেখে নির্বাচন ঘোষণা করা গণতন্ত্রের নামে প্রহসন ছাড়া কিছু নয়।

এই ধরনের অপকর্ম বৈধতা পেলে তা সংবিধান ও গণতন্ত্রের পক্ষে গুরুতর অশনি সংকেত। আমাদের দাবি, বিধানসভাগুলির গেজেট নোটিফিকেশন জারির আগেই 'বিচারাধীন' নাগরিকদের নাম যুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং সেই তালিকার ভিত্তিতেই নির্বাচন করতে হবে। তা সম্ভব না হলে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ২১(৩) অনুযায়ী পূর্ববর্তী বৈধ তালিকার ভিত্তিতেই ভোট গ্রহণ করতে হবে।

ইমপিচমেন্টের মুখে দাঁড়ানো মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেই কার্যত রাজ্য প্রশাসনকে কজা করে কেন্দ্রের

শাসন লাগু করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার আগেই সুপ্রিম কোর্টে নিন্দিত সঙ্ঘপন্থী তামিলনাডু রাজ্যপালকে এ

রাজ্যের দায়িত্বে নিয়ে এসেছে। এটা বিজেপির বাংলা দখলের বৃহত্তর রাজনৈতিক চক্রান্তেরই অংশ।

আমরা রাজ্যের গণতন্ত্রপ্রেমী নাগরিকদের কাছে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আবেদন জানাচ্ছি। বামপন্থীরা মিলিতভাবে গণতন্ত্রের

ওপর এই বহুমুখী আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande