(আপডেট ) দুর্গাপুরে দেওয়াল লিখন ঘিরে উত্তেজনা; কমিশনের কর্মীদের মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার ৩, থানায় বিজেপির বিক্ষোভ
দুর্গাপুর, ২২ মার্চ (হি. স.): দুর্গাপুরে দেওয়াল লিখন ঘিরে উত্তেজনার ঘটনায় নতুন মোড়। নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে কোকওভেন থানার পুলিশ। এদিকে, দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কোকওভেন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দে
দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দুর্গাপুর কোকওভেন থানা ঘেরাও করল বিজেপি


দুর্গাপুর, ২২ মার্চ (হি. স.): দুর্গাপুরে দেওয়াল লিখন ঘিরে উত্তেজনার ঘটনায় নতুন মোড়। নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে কোকওভেন থানার পুলিশ। এদিকে, দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কোকওভেন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ভোট যত এগোচ্ছে, ততই উত্তপ্ত হচ্ছে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল। দেওয়াল-লিখন ঘিরে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি, দেওয়ালে লেখা মোছার কাজ করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভার করঙ্গপাড়া পোস্ট অফিস মোড় এলাকায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, করঙ্গপাড়ার একটি ভবনে ভাড়া নিয়ে আগে ডাকঘর চলত, যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। বিজেপির দাবি, ওই পাঁচিলে আগে থেকেই তাদের দেওয়াল-লিখন ছিল। রবিবার সেই লেখা মুছে তৃণমূল কর্মীরা নিজেদের প্রচারমূলক লেখা লেখেন। এর প্রতিবাদ করায় বিজেপির দুই কর্মী কমলেশ সিং ও রঘুনাথ পালকে দোকান থেকে টেনে বের করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী অনুমতিবিহীন দেওয়ালে রাজনৈতিক লেখা মুছতে রবিবার ঘটনাস্থলে যান দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দফতরের দুই কর্মী সূর্যকান্ত পাল ও বিট্টু গুপ্তা। অভিযোগ, লেখা মুছে ফেরার সময় তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। বিট্টু গুপ্তার দাবি, “কেন দেওয়াল-লিখন মুছেছি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা নিজেদের তৃণমূল কর্মী বলে পরিচয় দেয়।”

ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামতে হয় কোকওভেন থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

বিজেপির দুর্গাপুর-বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মীরা তাদের দেওয়াল-লিখন মুছে দিয়ে হামলা চালিয়েছে এবং কমিশনের কর্মীদেরও মারধর করেছে।

যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী সোমনাথ দাসের দাবি, “বিজেপি অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। নির্বাচন কমিশনের নাম করে ওরাই দেওয়াল-লিখন মুছছিল। কমিশনের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”

দুর্গাপুরের মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস জানান, কমিশনের কর্মীদের ওপর হামলার কোনও লিখিত অভিযোগ এখনও পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া সরকারি বা বেসরকারি কোনও দেওয়ালে রাজনৈতিক লিখন আইনবিরুদ্ধ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande