
পাটনা, ৩০ মার্চ (হি.স.): নীতীশ কুমারের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। সোমবার তিনি বিহার বিধান পরিষদের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন, যা তাঁর রাজনৈতিক সফরে গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে মনে করা হচ্ছে।
নীতীশ কুমার প্রথম ২০০৬ সালে বিধান পরিষদের সদস্য হয়ে ২০১২, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে টানা মোট চারবার তিনি এই পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, রাজ্য আইনসভার উচ্চকক্ষের সদস্যপদের মেয়াদ ছয় বছরের|তিনি ২০০৬-২০১২, ২০১২-২০১৮, ২০১৮-২০২৪ এবং ২০২৪ থেকে বর্তমান সময় (ইস্তফা আগের মুহূর্ত) পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন।
২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রথমবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তিনি কখনও বিধানসভা নির্বাচন লড়েননি। বরং বিধান পরিষদের সদস্য হিসেবেই মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিয়েছেন। যদিও ১৯৮৫ সালে তিনি হরনৌট কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন এবং পরে লোকসভার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনে এক অনন্য নজির গড়েছেন নীতীশ কুমার। বিধায়ক, সাংসদ, বিধান পরিষদের সদস্য হওয়ার পর এবার তিনি রাজ্যসভার সদস্য হতে চলেছেন। এর ফলে দেশের ও রাজ্যের আইনসভার চারটি কক্ষেই থাকার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করবেন তিনি।
সংবিধান অনুযায়ী, বিধান পরিষদের সদস্যপদ ছাড়ার পর তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদও ছাড়তে হতে পারে। তবে নিয়ম অনুযায়ী, তিনি ছয় মাস পর্যন্ত কোনও পরিষদের সদস্য না হয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে পুনরায় কোনও এক কক্ষের সদস্য হতে হবে।
১৯৮৫ সাল থেকে শুরু হওয়া নীতীশ কুমারের রাজনৈতিক সফরে রাজ্যসভায় যোগদান এক নতুন দিক উন্মোচন করতে চলেছে। আগামী ১০ এপ্রিল তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যসভার সদস্যপদ গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য