ফরাক্কায় গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভোলবদল, অম্বুজা ও নরোত্তম সেখসারিয়া ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগ
কলকাতা, ৬ মার্চ (হি. স.) : মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা ব্লকে গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে হাত মেলাল অম্বুজা ফাউন্ডেশন ও নরোত্তম সেখসারিয়া ফাউন্ডেশন। ২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পের লক্ষ্য হলো ফরাক্কার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়ে
মুর্শিদাবাদের ফরাক্কাতে স্বাস্থ্য সমন্বয় উদ্যোগ


কলকাতা, ৬ মার্চ (হি. স.) : মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা ব্লকে গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে হাত মেলাল অম্বুজা ফাউন্ডেশন ও নরোত্তম সেখসারিয়া ফাউন্ডেশন। ২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পের লক্ষ্য হলো ফরাক্কার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ৪৭টি গ্রামের প্রায় ৮৬ হাজার মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। প্রকল্পের আওতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি উন্নয়ন, অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর।

​ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগের মাধ্যমে ১৬৫ জনেরও বেশি আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য এবং 'সখি'দের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জল-স্বাস্থ্যবিধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে ৭৯টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বৃদ্ধির পরিমাপের জন্য 'অ্যানথ্রোপোমেট্রি' ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এছাড়া পুষ্টির মান বাড়াতে ১,৩০০ জনেরও বেশি মানুষ নিজেদের বাড়ির রান্নাঘরের বাগান ও পারিবারিক পুষ্টি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। ২০টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রকে ‘বিল্ডিং অ্যাজ লার্নিং এইড’ মডেলে সংস্কার করে শিশুদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে।

​অম্বুজা ফাউন্ডেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার পার্ল তিওয়ারি জানান, গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। অন্যদিকে, নরোত্তম সেখসারিয়া ফাউন্ডেশনের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক মনীশ জোশীর মতে, এই প্রকল্পটি ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী ও অনুকরণযোগ্য মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande