ছত্তিশগড়ে ধর্মান্তর বিরোধী নতুন আইন কার্যকর, পুরনো আইন বাতিল
রায়পুর, ১৮ এপ্রিল (হি.স.): জোর করে বা প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তর রুখতে ছত্তিশগড়ে বিধানসভায় গৃহীত ‘ধর্ম স্বাধীনতা বিল, ২০২৬’ এখন আইনে পরিণত হয়েছে। ৬ এপ্রিল রাজ্যপাল রমেন ডেকা-র সইয়ের পর শনিবার, ১৮ এপ্রিল তা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। এর ফলে ১৯৬৮ সা
ছত্তিশগড়ে ধর্মান্তর বিরোধী নতুন আইন কার্যকর, পুরনো আইন বাতিল


রায়পুর, ১৮ এপ্রিল (হি.স.): জোর করে বা প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তর রুখতে ছত্তিশগড়ে বিধানসভায় গৃহীত ‘ধর্ম স্বাধীনতা বিল, ২০২৬’ এখন আইনে পরিণত হয়েছে। ৬ এপ্রিল রাজ্যপাল রমেন ডেকা-র সইয়ের পর শনিবার, ১৮ এপ্রিল তা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। এর ফলে ১৯৬৮ সালের পুরনো আইন কার্যত বাতিল হয়ে গেল।

নতুন আইন কার্যকর হওয়ায় ধর্মান্তর সংক্রান্ত বিষয়ে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। আগে রাজ্যে ১৯৬৮ সালের আইন চালু থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তা সংশোধন করে নতুন আইন আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মার্চ বিধানসভায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা এই বিলটি পেশ করেন এবং বিস্তারিত আলোচনা শেষে তা পাস হয়। সরকারের দাবি, এই আইনের লক্ষ্য ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় রাখা এবং জোরপূর্বক বা প্রতারণার মাধ্যমে ধর্মান্তর রোধ করা।

নতুন আইনে ধর্ম পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে একাধিক বিধান রাখা হয়েছে। কোনও ব্যক্তি ধর্ম পরিবর্তন করতে চাইলে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। পরে তা প্রকাশ করে আপত্তি আমন্ত্রণ জানানো হবে এবং তদন্ত শেষে অনুমোদন দেওয়া হবে।

আইনে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত ইচ্ছায় ধর্ম বেছে নেওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে, তবে কোনও চাপ, ভয় বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তর হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

অবৈধ ধর্মান্তরের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ১০ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। দলবদ্ধভাবে ধর্মান্তরের ক্ষেত্রে শাস্তি ২০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে এবং জরিমানা কমপক্ষে ২৫ লক্ষ টাকা। পুনরায় একই অপরাধ করলে সরাসরি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande