উত্তরাখণ্ডে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন নিয়ে তীব্র বিতর্ক, সমর্থনের পথে ধামি সরকার
দেহরাদূন, ২ এপ্রিল (হি.স.): উত্তরাখণ্ডে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্তরে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বাজেট অধিবেশনে রুদ্রপুরের বিজেপি বিধায়ক ভরণী সাইন এবং শিব অরোরার প্রস্তাবের পর বিষয়টি রাজ্যের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে
মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি


দেহরাদূন, ২ এপ্রিল (হি.স.): উত্তরাখণ্ডে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্তরে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বাজেট অধিবেশনে রুদ্রপুরের বিজেপি বিধায়ক ভরণী সাইন এবং শিব অরোরার প্রস্তাবের পর বিষয়টি রাজ্যের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

বিধানসভায় শিব অরোরা জনসংখ্যার পরিবর্তিত গঠন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তিনের বেশি সন্তানের পরিবারকে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার প্রস্তাব দেন তিনি। বিজেপির একাংশ এই প্রস্তাবকে সমর্থন করলেও বিরোধী কংগ্রেস এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে কটাক্ষ করেছে। কংগ্রেস বিধায়ক কাজি মহম্মদ নিজামউদ্দিন অভিযোগ করেন, এই ধরনের প্রস্তাব একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে আনা হচ্ছে এবং তা সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয় দেয়।

এই প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানান, বিষয়টি নিয়ে তড়িঘড়ি কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত বিষয়, তাই এ নিয়ে আরও বিস্তৃতভাবে চিন্তাভাবনা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে শুধু রাজ্য নয়, জাতীয় স্তরেও আলোচনা জরুরি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার যদি এ বিষয়ে এগোয়, তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সম্মতি এবং সুপরিকল্পিত নীতিগত কাঠামো প্রয়োজন হবে। এদিকে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, রাজ্যের সাংস্কৃতিক স্বরূপ রক্ষা করাই সরকারের অগ্রাধিকার এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে গুরুত্ব সহকারে সমর্থন করা হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande