মানি লন্ডারিং মামলা: ৮ দিনের ইডি হেফাজতে ব্যবসায়ী জয় কামদার, ১১০০ কোটির লেনদেনে ঘনীভূত রহস্য
কলকাতা, ২০ এপ্রিল (হি. স.) : ১১০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কলকাতার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে সোমবার আট দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল আদালত। রবিবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর এদিন
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট


কলকাতা, ২০ এপ্রিল (হি. স.) : ১১০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কলকাতার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে সোমবার আট দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল আদালত। রবিবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর এদিন তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতের বিশেষ পিএমএলএ আদালতে পেশ করা হয়।

‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি-র পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছে, ধৃত ব্যবসায়ীর ডিজিটাল ডিভাইস এবং ব্যাঙ্ক লেনদেনের নথি পরীক্ষা করে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির ইঙ্গিত মিলেছে। ইডি-র দাবি, জয়ের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে গত চার মাসেই প্রায় ৫০০ কোটি টাকা নগদে জমা করা হয়েছে, যার উৎস খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অর্থ পাচারের জন্য অন্তত ২৫টি ভুয়ো বা ‘শেল’ কোম্পানি ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি কলকাতা গুজরাটি এডুকেশন সোসাইটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে জয়ের একটি সংস্থায় ৪০ কোটি টাকা স্থানান্তরের অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া, দক্ষিণ কলকাতার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সোনা পাপ্পু এবং তাঁর স্ত্রীর মালিকানাধীন বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে জয়ের কোটি কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি ইডি-র। একটি বিতর্কিত তথ্য হিসেবে উঠে এসেছে যে, জয়ের কোম্পানির মাধ্যমে সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ কেনা হয়েছিল।

আদালতে ইডি জানায়, অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত এই বিপুল অর্থের গন্তব্য এবং এই চক্রে আর কারা জড়িত আছে, তা জানতে জয় কামদারকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর বিচারক ধৃতকে আট দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande