ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে ‘বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে...’ শীৰ্ষক দু-দিনব্যাপী সংগীতানুষ্ঠান
- অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করলেন দুই বাংলার প্রথিতযশা শিল্পী অদিতি মহসিন এবং শ্রীকান্ত আচার্য ।। রাজীব দে ।। ঢাকা, ২৩ এপ্রিল (হি.স.) : বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (আইজিসিসি) ভারতীয় হাই কমিশন ‘বাঁধন
ক্তব্য পেশ করছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। পাশের ছবি ভারতের সংগীতশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্যকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন


দুদিনব্যাপী সংগীত সন্ধ্যায় এক ফ্রেমে বিশিষ্টগণ


- অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করলেন দুই বাংলার প্রথিতযশা শিল্পী অদিতি মহসিন এবং শ্রীকান্ত আচার্য

।। রাজীব দে ।।

ঢাকা, ২৩ এপ্রিল (হি.স.) : বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (আইজিসিসি) ভারতীয় হাই কমিশন ‘বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে : অফ হারমনি উইদিন’ শীর্ষক দুদিনব্যাপী এক সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই দেশের সংগীত, উৎসব ও সংস্কৃতির অভিন্ন ঐতিহ্যকে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে উদযাপন করা হয়।

ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতাকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এই বিশেষ আয়োজনটি ভারতীয় হাই কমিশন এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের মধ্যে একটি সফল পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন দুই বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রথিতযশা দুই শিল্পী যথাক্রমে বাংলাদেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী অদিতি মহসিন এবং ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য। তাঁদের সুরের মূর্ছনা এবং গায়কীর মাধ্যমে দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন তৈরি হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের বিমোহিত করেছে।

অনুষ্ঠানে ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন আমাদের জাতীয় সীমানার চেয়েও প্রাচীন এবং গভীর। একই মঞ্চে দুই দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের উপস্থিতি প্রমাণ করে, আমাদের সংস্কৃতি কতটা শক্তিশালী। এটি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন, পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা এবং বোঝাপড়ার একটি বলিষ্ঠ প্রতীক।

বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ সহ ব্যবসা, গণমাধ্যম, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি দুই বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক কূটনীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande