
হরিপাল, ২৬ এপ্রিল (হি.স.): রবিবার হরিপালের সভা থেকে তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী| তিনি বলেন, নবান্ন থেকে সরকার চলে না। হয় এই সরকার চালায় তৃণমূলের গুন্ডা, মস্তানেরা। নয়তো হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সরকার সোজা হয়। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল সরকার এখানে তাদের কুকর্মের কারণে মানুষের ভরসা হারিয়ে ফেলেছে। এই জন্য লোক প্রায়ই আদালতে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। রাজ্যের শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে সরব হন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের মন্ত্রী হাজার হাজার যুবকের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছেন। সংবেদনশীল সরকার হলে নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করত। কিন্তু আদালতকে এখানে তদন্তের নির্দেশ দিতে হয়েছে। তৃণমূলের বিশ্বাসযোগ্যতা শূন্য। তিনি বলেন, সব জায়গায় রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত নির্বাচন পরিচালনা করে। সুরক্ষার দায়িত্ব তাদেরই থাকে। কিন্তু ২০২৩ সালে কী হল দেখেছেন তো? আদালতের মনে হয়েছিল, সরকার সুরক্ষার দায়িত্ব নিতে পারবে না। তাই আদালত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল। তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর কাজে বাধা সৃষ্টি করছিল। প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।
নরেন্দ্র মোদী বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্রের আহ্বান মনে রাখবেন। তিনি বলেছিলেন, রক্ত দাও, স্বাধীনতা দেব। দেশের মানুষ সব দিয়েছিলেন। আপনারা আমাদের একটা ভোট দিন, আশীর্বাদ দিন, আমরা তৃণমূল থেকে মুক্তি দেব। জঙ্গলরাজ, ভয়, দুর্নীতি, মহিলা নির্যাতন, বেকারত্ব, অনুপ্রবেশকারী থেকে মুক্তি দেব। তৃণমূলের আমলে সবচেয়ে বড় ধোঁকা হয়েছে মা-বোনেদের সঙ্গে। তাই মা-বোনেদের মধ্যে রাগ ভরপুর। সন্দেশখালিতে কী হয়েছে মনে আছে তো! এটা কখনও ভুলবেন না। তৃণমূল সরকারের কোনও হেলদোল ছিল না। তবে চিন্তা নেই। ৪ মে-র পর বিজেপি সরকার সব কিছুর হিসাব করবে। আর অত্যাচারীদের সহ্য নয়। বিজেপি মা-বোনেদের সুরক্ষাও দেয়, সম্মানও করে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ