
মালদা, ৪ এপ্রিল, (হি.স.): মালদার কালিয়াচকে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় সরকারি কর্মীদের গভীর রাত পর্যন্ত আটকে রাখার ঘটনায় প্রবল আলোড়ন হয়েছে। দিন কয়েক আগে একাধিক পথ অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখিয়েছে বহু মানুষ। এই সব ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূলের ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেদের দায় এড়িয়ে কালিয়াচকের নাম না করে ঘটনায় কংগ্রেস ও মিমের দিকে আঙুল তুলেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘‘জাজেদের কাছে নিজেরা যাবেন না। দুটো দল এসে জাজেদের ঘেরাও করে পালিয়ে গেল। মাঝখান থেকে স্থানীয় ছেলেমেয়েরা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। এনআইএ-র নাম করে ৪০-৫০ জনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।’’
রীতিমত হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, ‘‘প্রতিবাদও করা যাবে না। প্রতিরোধও করা যাবে না। কমিশনের সামনে ডেপুটেশন দিতে পারবে না। সব কণ্ঠরোধ করেছে। মানুষের কণ্ঠরোধ করা যায় না। ভোটাধিকার সংবিধানের অধিকার।”
এসআইআর প্রক্রিয়ায় কর্মরতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদেরও কাজ করতে হবে।” সমবেত শ্রোতাদের বলেন, “যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি ট্রাইবুনালে নাম পাঠাবেন। দরখাস্ত পাঠাবেন। বাকি আইনজীবী দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। বাচ্চুদা সিনিয়র আইনজীবী। তাঁকে বলেছি। ওদের পরিকল্পনায় নেই, এমন কিছু নেই। এদের মতো নোংরা নেই। ছি-ছি বিজেপি!’’
তিনি বলেন, ‘‘অশান্তির মধ্যে যাবেন না। এলাকা থেকে ৪০ জন ছেলেকে তুলে নেবে। যেটা মালদায় করেছে। যারা দোষ করেছে, তাদের গ্রেফতার করোনি। নির্দোষদের গ্রেফতার করছ কেন? ইডি, সিবিআই, এনআইএ, বিএসএফ, বর্ডার কার হাতে? মোটাভাইয়ের হাতে! তুমি তৃণমূলকে চোর বলো। বর্ডার থেকে টাকা কোথায় যায় মোটাভাই? তুমি তখন মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসে থাকো!’’
‘‘বাংলায় কথা বললেই অনুপ্রবেশকারী। তোমরা কারা? ভোটের সময় আমেরিকা থেকে আসে। অন্য জায়গা থেকে আসে। বুথ দখল করে, গুন্ডামি করে।’’
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত