ওয়েট ব্রিজ বন্ধ, রাজস্ব আদায়ে ধাক্কা চুড়াইবাড়ি গেটে
চুড়াইবাড়ি (ত্রিপুরা), ৭ এপ্রিল (হি.স.) : ত্রিপুরার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত উত্তর জেলার চুড়াইবাড়িতে পরিবহণ দফতরের ওয়েট ব্রিজ এক সপ্তাহ ধরে বিকল হয়ে পড়ায় রাজস্ব আদায়ে বড়সড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ২ এপ্রিল থেকে মূল গেট সংলগ্ন ওয়েট
চুড়াইবাড়ি গেট


চুড়াইবাড়ি (ত্রিপুরা), ৭ এপ্রিল (হি.স.) : ত্রিপুরার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত উত্তর জেলার চুড়াইবাড়িতে পরিবহণ দফতরের ওয়েট ব্রিজ এক সপ্তাহ ধরে বিকল হয়ে পড়ায় রাজস্ব আদায়ে বড়সড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ২ এপ্রিল থেকে মূল গেট সংলগ্ন ওয়েট ব্রিজটি অকেজো হয়ে রয়েছে। ফলে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাথর ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন শতাধিক ওভারলোড গাড়ি রাজ্যে প্রবেশ করাচ্ছেন বলে অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই ওয়েট ব্রিজের মাধ্যমে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আদায় হত। গত মার্চ মাসেই প্রায় ৯৫টি ওভারলোড পাথর বোঝাই গাড়ি থেকে ছয় কোটিরও বেশি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে রাজ্য কোষাগারে জমা পড়েছে। এমনকি প্রতি মাসে গড়ে ৬ থেকে ৭ কোটি টাকার রাজস্ব এই গেট থেকে আদায় করা হচ্ছিল।

কিন্তু এপ্রিল মাসের শুরু থেকেই ওয়েট ব্রিজ বিকল হয়ে পড়ায় সেই রাজস্ব আদায় কার্যত বন্ধ। এতে ইতিমধ্যেই কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অভিযোগ, পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও পরিবহণ দফতর কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

এদিকে, পরিবহণ দফতরের চুড়াইবাড়ি গেটের ইনচার্জ চক্রপানী দাসের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি দফতরকে জানানো হয়েছে এবং তাঁর পক্ষে আর কিছু করা সম্ভব নয়। তবে দফতরের ছাড়পত্র কাউন্টারের কর্মীরা স্বীকার করেছেন যে, ওয়েট ব্রিজ বিকল থাকায় গাড়ির ওজন পরিমাপ করা যাচ্ছে না, ফলে ওভারলোড গাড়ি আটকানো সম্ভব হচ্ছে না।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, অফিস চত্বরে দুটি ৬০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ওয়েট ব্রিজ দীর্ঘদিন ধরেই বিকল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যদিও কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি ১০০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ওয়েট ব্রিজ সচল রয়েছে, কিন্তু সেটিও ব্যবহার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পাথর, বোল্ডারসহ বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে ওভারলোড গাড়িগুলি নির্বিঘ্নে রাজ্যে প্রবেশ করছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande